বালোচিস্তানে বেশ কিছু খনি ও খনন সংক্রান্ত প্রকল্প চলছে, যেখানে বিনিয়োগ রয়েছে চিনের। এরই মাঝে সদ্য বালোচিস্তানে ৬ শ্রমিকের অপহরণের খবর আসে। এরপরই সেই শ্রমিকদের বুলেট বিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়েছে এলাকার তুরবাতে।

বালোচিস্তানের ঘটনায় পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী বলছে, ৬ শ্রমিকের দেহ উদ্ধারের ঘটনার নেপথ্যে পয়েছে বালোচ বিদ্রোহীদের নিষিদ্ধ সংগঠন বিএলএ। ঘটনার সূত্রপাত ২৭ জুলাই হয়েছে বলেও তারা জানিয়েছে। পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, সশস্ত্ররা শ্রমিকদের একটি দলের গতিরোধ করে খাইবার পাখতুনখোয়ার সোয়াবি এলাকার বাসিন্দা জাভেদ নামের এক শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করে এবং আরও ছয়জনকে অপহরণ করে। কয়েক দিন পর তুরবাতের কাছে একটি প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ওই ছয় অপহৃতের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ইন্টেল সূত্র করে উল্লেখ করে সিএনএন নিউজ এইট্টিনের খবর দাবি করছে, এই হামলা মূলত, বিএলএ-র পরিবর্তিত রণকৌশলের একটি দিক। বালোচিস্তান জুড়ে খনন ও খনি সংক্রান্ত যে কাজ চলছে, সেখানে বহু ইঞ্জিনিয়ার, শ্রমিকরা কর্মরত। বালোচিস্তানের এমন প্রকল্পে বিনিয়োগ রয়েছে চিনেরও। সদ্য এই ৬ শ্রমিকের অপহরণ ও খুন, সেই চিনা প্রকল্পকে বালোচ বিদ্রোহীদের পরোক্ষে হুমকি দেওয়ার পন্থা কি না, তা নিয়ে চর্চা চলছে।
ওই বালোচ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রচারিত সতর্কবার্তা সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলোর মতে, বার্তাটি ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট, সেখানে বলা হয়েছে, চিন-সমর্থিত প্রকল্প এবং খনি বা খনিজ আহরণ কেন্দ্রগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। অভিযোগ রয়েছে যে, এই সতর্কবার্তা কেবল বহিরাগত কর্মীদের জন্যই নয়, বরং পাকিস্তান ও চিনের উন্নয়ন উদ্যোগের সাথে জড়িত স্থানীয় শ্রমিক, ইঞ্জিনিয়ার এবং কর্মকর্তাদের জন্যও প্রযোজ্য। মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, তুরবাতের ঘটনার আগেই মাশকেল এলাকায় পৃথক এক হামলায় আরও অন্তত পাঁচজন শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। এটি বালোচিস্তানের বিভিন্ন অংশে সহিংসতার একটি সুসংহত ও পরিকল্পিত ধারার ইঙ্গিত দেয়। এর আগে, বালোচিস্তানে মাতসুঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের উপর হামলা চালায় বালোচ বিদ্রোহীরা। সেই ঘটনায় পাকিস্তানি সেনার অনেকেই মারা যান। এরপর বালোচিস্তানে এই ৬ শ্রমিকের মৃত্যু, নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে এলাকায়।
{{/usCountry}}ওই বালোচ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রচারিত সতর্কবার্তা সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলোর মতে, বার্তাটি ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট, সেখানে বলা হয়েছে, চিন-সমর্থিত প্রকল্প এবং খনি বা খনিজ আহরণ কেন্দ্রগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। অভিযোগ রয়েছে যে, এই সতর্কবার্তা কেবল বহিরাগত কর্মীদের জন্যই নয়, বরং পাকিস্তান ও চিনের উন্নয়ন উদ্যোগের সাথে জড়িত স্থানীয় শ্রমিক, ইঞ্জিনিয়ার এবং কর্মকর্তাদের জন্যও প্রযোজ্য। মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, তুরবাতের ঘটনার আগেই মাশকেল এলাকায় পৃথক এক হামলায় আরও অন্তত পাঁচজন শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। এটি বালোচিস্তানের বিভিন্ন অংশে সহিংসতার একটি সুসংহত ও পরিকল্পিত ধারার ইঙ্গিত দেয়। এর আগে, বালোচিস্তানে মাতসুঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের উপর হামলা চালায় বালোচ বিদ্রোহীরা। সেই ঘটনায় পাকিস্তানি সেনার অনেকেই মারা যান। এরপর বালোচিস্তানে এই ৬ শ্রমিকের মৃত্যু, নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে এলাকায়।
{{/usCountry}}