উৎসবের মরশুমের মাঝেই মুম্বই তোলপাড় অভিনেতা টাইগার শ্রফকে টার্গেট করে গুলি চালনার ঘটনায়। সেই গুলি কাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৩ আততায়ীকে রাজস্থানের কোটা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে, আততায়ীদের বাইক উদ্ধার হয় মুম্বইয়ের অন্ধেরি এলাকা থেকে। মনে করা হচ্ছিল, ট্রেনে চড়ে পালিয়ে যায় আততায়ীরা। পরে ৩ জনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং এই হামলার দায় নিয়েছে।

এদিকে, টাইগার শ্রফকে গুলি চালনা কাণ্ড ঘিরে উঠে আসছে একের পর এক তথ্য। নিউজ ১৮র এক রিপোর্ট দাবি করছে, দেশি পিস্তল দিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। রিপোর্ট এটাও বলছে যে, ৭ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল। ৫ টি লাগে টাইগারের গাড়ির জানলার কাচে। ২ টি ফস্কে হয়ে বেরিয়ে যায়। রিপোর্টের দাবি, আততায়ীদের বন্দুকে জ্যাম বা গলদের জন্য অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান টাইগার। উল্লেখ্য, গাড়ির প্যাসেঞ্জার সাইড উইন্ডো দিয়ে এই গুলি চালানো হয়। উল্লেখ্য, রবিবার রাতে এক মোটর সাইকেলে এসে টাইগারকে গুলির চেষ্টা করে ওই আততায়ীরা। এরপরই তদন্তে নেমে মুম্বই পুলিশ সিসিটিভিতে ২ সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করে।
রিপোর্ট বলছে, ঘটনার আগে, ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করেছিল আততায়ীরা। উল্লেখ্য, রবিবার রাতে যে জুহুর পুষ্প নার্সি পার্কে টাইগার শ্রফ ফুটবল খেলতে যান, তার হদিশ আগেই ছিল আততায়ীদের কাছে। সেদিন ২ ঘণ্টা টাইগার ফুটবল খেলেন। যতক্ষণ না টাইগার গাড়িতে উঠে বের হচ্ছেন, ততক্ষণ সেখানে সন্দেহভাজনরা অপেক্ষা করছিল বলে অনুমান। সিসিটিভি ফুটেজে আততায়ীদের যে ভাবভঙ্গি দেখা গিয়েছে, তাতে মনে করা হচ্ছে, তারা টাইগারের দৈনন্দিন রুটিন জানত। রিপোর্ট বলছে, ২ সপ্তাহ আগেই মুম্বইতে পা রাখে ওই ২ আততায়ী। তারা টাইগারের বাড়ি, জিম সহ বিভিন্ন জায়গার রেইকি করে। টাইগার কোথায় কখন যান, তার সব হদিশ আগে থেকেই ছিল আততায়ীদের কাছে।
প্রসঙ্গত, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং-র ক্ষোভ রয়েছে অভিনেতা সলমান খানের বিরুদ্ধে। লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং মুম্বাইয়ের চলচ্চিত্রশিল্পকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে, যারা বলিউড অভিনেতা সলমান খানের সঙ্গে কাজ করবেন বা তাদের নির্দেশ অমান্য করবেন, তাদের ওপর হামলা চালানো হবে। প্রশ্ন উঠতে পারে যে, কেন অভিনেতা সলমন খানের উপরই লরেন্স গ্যাং-র ক্ষোভ? উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ (Blackbuck) হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হন সলমান খান। সেই সময় কাঙ্কাণি গ্রামে শুটিং-র ফাঁকে এক কৃষ্ণসার হরিণকে হত্যার অভিযোগ ছিল সলমানের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের জন্য প্রকৃতি এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য সুপরিচিত। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতিতে কৃষ্ণসার হরিণ অত্যন্ত পবিত্র এবং দেবতুল্য। সেই হরিণ হত্যা ঘিরেই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংর তোপের মুখে সলমান।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং-র ক্ষোভ রয়েছে অভিনেতা সলমান খানের বিরুদ্ধে। লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং মুম্বাইয়ের চলচ্চিত্রশিল্পকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে, যারা বলিউড অভিনেতা সলমান খানের সঙ্গে কাজ করবেন বা তাদের নির্দেশ অমান্য করবেন, তাদের ওপর হামলা চালানো হবে। প্রশ্ন উঠতে পারে যে, কেন অভিনেতা সলমন খানের উপরই লরেন্স গ্যাং-র ক্ষোভ? উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ (Blackbuck) হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হন সলমান খান। সেই সময় কাঙ্কাণি গ্রামে শুটিং-র ফাঁকে এক কৃষ্ণসার হরিণকে হত্যার অভিযোগ ছিল সলমানের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের জন্য প্রকৃতি এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য সুপরিচিত। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতিতে কৃষ্ণসার হরিণ অত্যন্ত পবিত্র এবং দেবতুল্য। সেই হরিণ হত্যা ঘিরেই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংর তোপের মুখে সলমান।
{{/usCountry}}