ইউরোপের পোল্যান্ডে চাঞ্চল্যকরভাবে খোলা রাস্তায় এলোপাথারি গুলি চালনার ঘটনা ঘটে গিয়েছে। ক্র্যাকো শহরে ৬ জনকে গুলিবিদ্ধ করার অভিযোগ রয়েছে আততায়ীর বিরুদ্ধে। তবে পুলিশি তৎপরতায় ঘটনাস্থলেই ওই আততায়ীকে টার্গেট করে গুলি চালানো হয়। অভিযুক্তের সেখানেই গুলিতে মৃত্যু হয়। এরপর ঘটনার তদন্তে নেমে, আততায়ীর বাড়ি পৌঁছয় পোল্যান্ডের পুলিশ। পৌঁছে দেওয়া হয় ড্রোন। আর সেখানে পৌঁছতেই এক হাড়হিম করা দৃশ্য দেখেন তদন্তকারীরা।
পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক জানিয়েছেন, ওই আততায়ীর বাড়ির তল্লাশি চালাতে ড্রোন ওড়ানো হয়। কারণ আশঙ্কা ছিল, তাঁর বাড়ির ভিতর থেকে হয়তো বা অস্ত্র উদ্ধার হতে পারে। তখনই জানা যায়, আততায়ীর বাড়িতে ৩ টি মৃতদেহ রয়েছে। তদন্তকারীরে পৌঁছলে, দেখেন বাড়ির ভিতরে ৩ টি মৃতদেহ রয়েছে। যে মৃতদেহগুলি উদ্ধার হয়েছে, তাদের মধ্যে ২ জন মহিলা ও ১ জন পুরুষ। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, আততায়ীর পরিবারেরই সদস্য ওই মৃত ৩ জন। যে বাড়িতে আততায়ী থাকতেন, সেই বাড়ি থেকে বাকি সকলকে সরানো হয়েছে। বাড়িতে নজরদারি রেখেছে কাউন্টার টেররিজম দফতর। দফতরের অফিসাররা সেখানে পৌঁছেছেন।
জানা যাচ্ছে, এর আগে, সেনার পোশাক পরে এই আততায়ীকে গুলি করতে দেখা যায়। ঘটনার সময় সেনার অস্ত্রশস্ত্রের মতোই অস্ত্র ছিল আততায়ীর কাছে। অভিযুক্তের গাড়িতেও অস্ত্র ছিল বলে জানা যাচ্ছে। পোল্যান্ডের ইন্টেরিয়ার মিনিস্টার কিয়েরউইন্সকি বলছেন, ‘সব দিক থেকে দেখা যাচ্ছে ওই আততায়ী কট্টর দক্ষিণপন্থা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।এই বিষয়টি নিয়েও তদন্ত হবে।’ জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের ওই গুলি কাণ্ডে ৫ জন আহত হয়েছেন। এই ৫ জন অস্ট্রিয়া, জার্মানি, পর্তুগাল, ব্রিটেনের বাসিন্দা। পোল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনায় ২ জন পুলিশ অফিসার আহত হয়েছেন।