...
...
Next Story

Nishikant Dubey: নোয়াখালি, চট্টগ্রাম ও সিলেট পুনরুদ্ধারের সময় এসেছে, নেহেরুকে দুষে বড় দাবি বিজেপি সাংসদের

Nishikant Dubey: বিজেপি সাংসদ বলেন, জওহরলাল নেহরু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মুসলিম লিগ সরাসরি লড়াইয়ে নেমে পড়েছিল।

Published on: Nov 6, 2026, 20:10:09 IST
Advertisement

Nishikant Dubey: শুধু পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (PoK) নয়, বাংলাদেশের নোয়াখালি, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর ফেরানোর দাবি করলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। তাঁর বক্তব্য, দেশভাগের সময় যে সব এলাকা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছিলেন, সব ফেরত নেওয়ার সময় এসে গিয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশের এই তিনটি এলাকাই একসময় টিপরা রাজ্যের অংশ ছিল।

বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে (ANI Video Grab)
বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে (ANI Video Grab)

বার্তা সংবাদ এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিশিকান্ত দুবে বলেন, 'আমার মতে, পাকিস্তানের কাছ থেকে শুধু পাক অধিকৃত কাশ্মীর পুনরুদ্ধার করার সময়ই আসেনি। নেহরুজি জোর করে যে অঞ্চলগুলি হস্তান্তর করেছিলেন, সেগুলিও পুনরুদ্ধারের সময় এসেছে। তার মধ্যে রয়েছে নোয়াখালি, চট্টগ্রাম বন্দর এবং সিলেট।' তিনি আরও বলেন, 'নেহরুজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হয়েছিল, কিন্তু তিনি ১৯৪৭-এর ১৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী হননি। তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ১৯৪৬-এর ২ সেপ্টেম্বর।' বিজেপি সাংসদ বলেন, জওহরলাল নেহরু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মুসলিম লিগ সরাসরি লড়াইয়ে নেমে পড়েছিল। ১৯৪৬ সালের ১৫ অক্টোবর হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ নোয়াখালিতে হত্যাকাণ্ড চলে। একদিনে প্রায় ১০ হাজার হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি সেখানে যাননি। তিনি বরং ভাবছিলেন ছিলেন, কীভাবে মুসলিম লিগকে তাঁর সরকারের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।

নিশিকান্ত দুবের কথায়, ‘নোয়াখালি, সিলেট এবং চট্টগ্রাম বন্দর— এই তিনটি অঞ্চল ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল। ত্রিপুরা আগে টিপরা নামে পরিচিত ছিল। সেখানকার রাজা বীর বিক্রম সিং নেহরুর সঙ্গে ক্রমাগত লড়াই করছিলেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কীভাবে নেহরু তাঁর ভূখণ্ড নিয়ে আলোচনা করতে পারেন? তিনি প্রশ্ন করতেন, কীভাবে আপনি নোয়াখালি পাকিস্তানের হাতে তুলে দিতে পারেন? কীভাবে সিলেটে গণভোট করাতে পারেন? কীভাবে চট্টগ্রামে গণভোট করাতে পারেন? এটি আমার রাজ্য। এটি ভারতের অংশ থাকবে, পাকিস্তানের অংশ হবে, নাকি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে— সেই সিদ্ধান্ত আমি নেব। সর্দার প্যাটেল সেনাবাহিনী পাঠিয়েছিলেন এবং ১৯৪৮ সালের অক্টোবরে ত্রিপুরা ভারতের অংশ হয়।’ তিনি মনে করেন, চট্টগ্রাম বন্দর চলে যাওয়ার কারণেই সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়ন থমকে গিয়েছিল। আজ যদি উত্তর-পূর্ব ভারত পিছিয়ে পড়া বলে মনে হয়, যদি সেখানে সমস্যা থাকে, যদি সেখানকার খনি, খনিজ সম্পদ এবং গ্যাসের সম্পূর্ণ ব্যবহার করতে না পারা যায়, এবং যদি অঞ্চলটি এখনও বিচ্ছিন্ন বোধ করে, তার একমাত্র কারণ হল— ভারতের কাছে আর সেই বন্দর নেই। এখন চট্টগ্রাম, নোয়াখালি এবং সিলেটও পুনরুদ্ধার করার সময় এসেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks