এবার রাজ্যসভা সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। অসমের এই বাঙালি নেত্রীকে কয়েকদিন আগেই সায়নী ঘোষ এবং এবং অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তীর সঙ্গে সন্ধ্যা কাটাচ্ছিলেন। তবে মমতার সঙ্গে এর মধ্যে তাঁকে আর দেখা যায়নি। এহেন সুস্মিতা রাজ্যসভার সাংসদ পদের পাশাপাশি ছাড়েন দলের সব পদও। এর আগে রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন সুখেন্দু শেখর রায়। তাঁর সঙ্গে কোয়েল মল্লিকেরও পদত্যাগ ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তবে কোয়েলের আগে আচমকা সুস্মিতা দেব পদত্যাগ করলেন।

এদিকে এই পদত্যাগের ফলে রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা আরও কমে দাঁড়াল ১১-তে। সাম্প্রতিক সময়ে লোকসভায় দলীয় সাংসদদের অবস্থান নিয়ে বিতর্ক, সাংগঠনিক মতভেদ এবং সংসদীয় দলের ভাঙন সংক্রান্ত আলোচনার মধ্যেই রাজ্যসভায়ও দলের প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়া রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সুস্মিতা দেব একসময় কংগ্রেসের নেত্রী ছিলেন। পরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন এবং দল তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠায়। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন। তবে পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত তাঁর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ্যে আসেনি। তৃণমূল কংগ্রেসও এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেনি। ফলে এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য, সাংগঠনিক অসন্তোষ নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে একের পর এক পদত্যাগের জেরে তৃণমূলের সংসদীয় শক্তি এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এখন নজর থাকবে দলের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সুস্মিতা দেবের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের দিকে।
এদিকে রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছেড়ে আসা সুখেন্দু শেখর রায়কে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। দিল্লির রাজনৈতিক মহলে এখন চর্চা চলছে, ভবিষ্যতে তাঁকে বিজেপির হয়ে রাজ্যসভায় দেখা যেতে পারে কি না। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা ইঙ্গিত মেলেনি, তবুও গুঞ্জন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।
{{/usCountry}}এদিকে রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছেড়ে আসা সুখেন্দু শেখর রায়কে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। দিল্লির রাজনৈতিক মহলে এখন চর্চা চলছে, ভবিষ্যতে তাঁকে বিজেপির হয়ে রাজ্যসভায় দেখা যেতে পারে কি না। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা ইঙ্গিত মেলেনি, তবুও গুঞ্জন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।
{{/usCountry}}