...
...
Next Story

TMC Rebel MPs: ফের সময়ের আবেদন, তৃণমূলত্যাগী ২০ বিদ্রোহী সাংসদের জবাব ঘিরে বাড়ছে টানাপোড়েন

ঘটনার সূত্রপাত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর। নির্বাচনের পরে তৃণমূলের ২০ জন লোকসভা সাংসদ দল ছেড়ে NCPI-এর সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর তাঁদের বিরুদ্ধে সংবিধানের দশম তফসিল বা দলবদল বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে স্পিকারের কাছে পৃথক আবেদন করেন তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক।

Published on: Sep 22, 2026, 11:24:26 IST
Advertisement

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া বা NCPI-তে যোগ দেওয়া ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে দলবদল বিরোধী আইনে চলা মামলায় ফের সময়সীমা ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ওই সাংসদদের জবাব দেওয়ার জন্য ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার মুখে ফের অতিরিক্ত সময় চাওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে খবর। ফলে এই সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত আরও পিছিয়ে যেতে পারে।

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া বা NCPI-তে যোগ দেওয়া ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে দলবদল বিরোধী আইনে চলা মামলায় ফের সময়সীমা ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। (HT_PRINT)
তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া বা NCPI-তে যোগ দেওয়া ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে দলবদল বিরোধী আইনে চলা মামলায় ফের সময়সীমা ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। (HT_PRINT)

ঘটনার সূত্রপাত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর। নির্বাচনের পরে তৃণমূলের ২০ জন লোকসভা সাংসদ দল ছেড়ে NCPI-এর সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর তাঁদের বিরুদ্ধে সংবিধানের দশম তফসিল বা দলবদল বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে স্পিকারের কাছে পৃথক আবেদন করেন তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৮ জুন তিনি এই আবেদন জমা দেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দলত্যাগী সাংসদরা লোকসভায় নিজেদের আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন করেছিলেন। বাদল অধিবেশনে তাঁদের জন্য আলাদা আসনও বরাদ্দ করা হয়। তবে স্পিকার এখনও তাঁদের NCPI গোষ্ঠী হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেননি। অর্থাৎ, আলাদা আসনে বসার সুযোগ মিললেও তাঁদের দলীয় অবস্থান নিয়ে আইনি ও সাংবিধানিক প্রশ্ন পুরোপুরি মেটেনি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, স্পিকারের কাছে আবেদন করার পরও দীর্ঘ সময় ধরে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেই কারণেই তিনি সুপ্রিম কোর্টে যান। ২৫ আগস্ট শীর্ষ আদালত ২০ সাংসদের কাছে নোটিস পাঠায়। তাঁদের বক্তব্য জানতে চায় আদালত। মামলায় মূল প্রশ্ন ছিল, স্পিকারকে দলবদল সংক্রান্ত আবেদনগুলির বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বলা যায় কি না। শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষেও সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বক্তব্য রাখেন।

এরপর স্পিকার তাঁদের আবেদন মেনে নেন। ৩ সেপ্টেম্বর জানানো হয়, ২০ জন সাংসদকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এর আগে তাঁদের পক্ষ থেকে প্রায় তিন সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় চাওয়া হয়েছিল বলে লোকসভা সচিবালয়ের চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।

এই সময়সীমা শেষ হওয়ার দিনে ফের নতুন করে সময় চাওয়া হলে গোটা প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘ হতে পারে। কারণ জবাব পাওয়ার পরই স্পিকারের সামনে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের বক্তব্য, তৃণমূলের অভিযোগ এবং দলবদল বিরোধী আইনের বিধান খতিয়ে দেখার বিষয়টি আসবে।

এই মামলার রাজনৈতিক গুরুত্বও যথেষ্ট বেশি। কারণ ২০ জন সাংসদের অবস্থান নিয়ে সিদ্ধান্ত হলে লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যার পাশাপাশি NCPI-এর অবস্থানও প্রভাবিত হতে পারে। একই সঙ্গে দলবদল বিরোধী আইনের ব্যাখ্যা এবং স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়সীমা নিয়েও ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত তৈরি হতে পারে।

তাই এখন মূল নজর ২০ সাংসদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। তাঁরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দেন, নাকি আরও সময় চান, এবং স্পিকার সেই আবেদনে কী সিদ্ধান্ত নেন—তার ওপরই পরবর্তী প্রক্রিয়া অনেকটাই নির্ভর করবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks