...
...
Next Story

Bangladesh-Pakistan: খুলে গেল ইসলামাবাদের মুখোশ! পাকিস্তানের আপত্তিতে ইউরেনিয়াম ঘিরে বিপাকে বাংলাদেশ

Bangladesh-Pakistan: রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রসাটমের কারিগরি সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পে দুটি ভিভিইআর-১২০০ (VVER-1200) পারমাণবিক চুল্লি রয়েছে।

Published on: Sep 29, 2026, 10:38:35 IST
Advertisement

Bangladesh-Pakistan: পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানির জন্য প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম রাশিয়ার কাছে বরাত দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সদ্য ‘বন্ধু’ পাকিস্তানের ‘বিশ্বাসঘাতকতায়’ সেই ইউরেনিয়াম এখনও পৌঁছোতেই পারল না। ইসলামাবাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না-মেলায় সব প্রস্তুতি থাকার পরেও রূপপুরে বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের কাজকর্ম থমকে গিয়েছে।

পাকিস্তানের আপত্তিতে ইউরেনিয়াম পেল না বাংলাদেশ
পাকিস্তানের আপত্তিতে ইউরেনিয়াম পেল না বাংলাদেশ

বার্তা সংস্থা এএনআই-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বর রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়াম বহনকারী একটি কার্গো বিমান বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি বাংলাদেশে এসে পৌঁছয়নি। তবে পাকিস্তান ঠিক কী কারণে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। মন্ত্রী জানান, জ্বালানি পৌঁছানোর জন্য নতুন তারিখ দেওয়া হয়েছে। রাশিয়া জানিয়েছে, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ইউরেনিয়ামের নতুন চালান বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারে।

বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীর কথায়, ‘রাশিয়া থেকে ওই বিমানটির আজারবাইজান, কাজাখস্তান, পাকিস্তান, ভারত হয়ে বাংলাদেশে আসার কথা। ফলে ওই সব দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতির প্রয়োজন। পাকিস্তান এখনও ক্লিয়ারেন্স দেয়নি। তাই এখনও বিমানটি বাংলাদেশে আসতে পারেনি।’ তবে মন্ত্রী আশাবাদী, খুব শীঘ্রই পাকিস্তানের থেকে অনুমতি মিলবে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব শেখ মহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি গ্রহণের জন্য বিমানবন্দরে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রসাটমের লিয়াজোঁ কর্মকর্তার কাছ থেকে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় আকাশসীমা অনুমোদন পাওয়া যায়নি। ফলে নির্ধারিত বিমানটি পাঠানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে এক বিবৃতিতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রসাটম জানিয়েছে, পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) সরবরাহ আগামী অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই ইউনিটের প্রয়োজনীয় সব জ্বালানি সরবরাহ সম্পন্ন হবে।

উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার জমানায় কূটনৈতিক, সামরিক বিষয়ে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখত বাংলাদেশ। বিশেষত, সন্ত্রাস মোকাবিলা এবং আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে ভারত-বাংলাদেশ হাত ধরে চলত। আর সেই কারণে পাকিস্তানের সঙ্গে দূরত্বও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হাসিনা সরকারের পতনের পরে বাংলাদেশের পরিস্থিতি বদলেছে। ইসলামাবাদের দিকে ঝুঁকতে দেখা গিয়েছে ঢাকাকে। মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্যতা অনেকটাই বেড়েছিল। সেই সঙ্গে বেড়েছিল ভারতের সঙ্গে দূরত্বও। তবে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে উন্নতি হয়েছে। একই সঙ্গে অটুট রয়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বও।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks