...
...
Next Story

বকেয়া ৫৪ হাজার কোটি! সংসদীয় কমিটির বৈঠকে 'বাংলা বঞ্চনা'য় সরব TMC, মণিপুর তহবিল...

সংসদীয় সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার বৈঠকে সবিস্তার হিসেব পেশ করে কেন দুর্যোগ মোকাবিলা খাতে বাংলার বকেয়া বিপুল পরিমাণ টাকা আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্ন তোলেন রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন।

Published on: Feb 25, 2026, 22:02:49 IST
Advertisement

বাংলাকে বঞ্চনার বিষয় নতুন নয়। এবার বিধাসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ফের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে সরব হল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। একইসঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলা খাতে বাংলার প্রায় ৫৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা।

বিপর্যয় মোকাবিলা খাত

সংসদীয় কমিটির বৈঠকে 'বাংলা বঞ্চনা'য় সরব TMC (সৌজন্যে টুইটার)
সংসদীয় কমিটির বৈঠকে 'বাংলা বঞ্চনা'য় সরব TMC (সৌজন্যে টুইটার)

সংসদীয় সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার বৈঠকে সবিস্তার হিসেব পেশ করে কেন দুর্যোগ মোকাবিলা খাতে বাংলার বকেয়া বিপুল পরিমাণ টাকা আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্ন তোলেন রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। এ ব্যাপারে কমিটির চেয়ারম্যান রাধামোহন দাস আগরওয়ালে কাছে চার পৃষ্ঠার একটি চিঠি জমা দেন তিনি। চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষতিপূরণ বাবদ কেন্দ্রের কাছে পশ্চিমবঙ্গের মোট প্রায় ৫৩,৬৯৬ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এই বিপুল অর্থ না মেটানোয় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পুনর্গঠন ও ত্রাণের কাজে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তৃণমূল সাংসদ। আর ওই চিঠি পেয়েই সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান রাধামোহন দাস আগরওয়াল বৈঠকে উপস্থিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহনকে তিন দিনের মধ্যে বাংলার বকেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। রাজ্য সরকারের হিসেব অনুযায়ী, বিভিন্ন খাতে কেন্দ্রের কাছে এখন প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বাংলার।

কেন্দ্রীয় প্রকল্প

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন মন্ত্রক তথা ডোনার-এর তহবিল তথা বরাদ্দ অর্থের বড় অংশ ব্যবহার না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দলমত নির্বিশেষে কমিটির সদস্যরা প্রশ্ন তুলেছেন বলেই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। বৈঠকে মণিপুরে তহবিল ব্যবহারের উপর আলাদা নোট দেওয়ার দাবিও ওঠে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য বরাদ্দ বিপুল অর্থ যে সম্পূর্ণভাবে খরচ করা হচ্ছে না, ২০২৪-'২৫ অর্থবর্ষে ডোনার মন্ত্রকের বাজেটের প্রায় ৪১ শতাংশ এবং ২০২৫-'২৬ অর্থবর্ষে ৩৬ শতাংশ অর্থ অব্যবহৃত থেকে গিয়েছে, সেকথা তুলে ধরা হয় ডেরেকের চিঠিতেও। বিরোধীদেরও তরফে বলা হয়েছে, কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে উন্নয়নের গতি মন্থর থাকলে তার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমোদিত পদগুলোর প্রায় ২৫ শতাংশ ফাঁকা থাকায় প্রকল্প পর্যবেক্ষণ, তহবিল বিতরণ ও আন্তঃরাজ্য সমন্বয় ব্যাহত হচ্ছে বলেও বৈঠকে অভিযোগ উঠেছে। শুধু বিরোধীরাই নন, বিজেপির কয়েক জন সাংসদও নাকি এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবকে কঠোর প্রশ্ন করেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe