...
...
Next Story

যে উত্তরপূর্বকে ভাগ করতে চায় বাংলাদেশি মৌলবাদীরা, সেখান থেকেই মিষ্টি উপহার গেল ওপারে

ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে পাঠানো এই চালানে মোট ১০০টি কার্টন ছিল। প্রতিটি কার্টনে ছয়টি করে আনারস রাখা হয়। আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চালানের যাত্রা শুরু হয়।

Published on: Jul 30, 2026, 10:56:33 IST
Advertisement

আগরতলা থেকে আবারও সৌহার্দ্যের বার্তা পৌঁছাল বাংলাদেশে। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রথা বজায় রেখে এ বছরও বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে পাঠানো হল ত্রিপুরার বিখ্যাত কুইন জাতের ৬০০টি উন্নতমানের আনারস। বুধবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (আইসিপি) দিয়ে এই আনারসের চালান পাঠানো হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ ত্রিপুরাকে উপহার হিসেবে আম পাঠিয়েছিল। তারই পাল্টা সৌজন্য হিসেবে এই আনারস পাঠানো হয়েছে।

প্রথা বজায় রেখে এ বছরও বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে পাঠানো হল ত্রিপুরার বিখ্যাত কুইন জাতের ৬০০টি উন্নতমানের আনারস।
প্রথা বজায় রেখে এ বছরও বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে পাঠানো হল ত্রিপুরার বিখ্যাত কুইন জাতের ৬০০টি উন্নতমানের আনারস।

ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে পাঠানো এই চালানে মোট ১০০টি কার্টন ছিল। প্রতিটি কার্টনে ছয়টি করে আনারস রাখা হয়। আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চালানের যাত্রা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক, ল্যান্ড পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি এবং চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা।

ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায় বলেন, প্রতিবছরের মতো এ বছরও বাংলাদেশকে আনারস পাঠানো হচ্ছে সৌহার্দ্যের নিদর্শন হিসেবে। তাঁর কথায়, 'এটি বহু বছরের একটি ঐতিহ্য। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার আমাদের আম উপহার দিয়েছে। তারই প্রতিদান হিসেবে আমরা বাংলাদেশে আনারস পাঠাচ্ছি। দুই প্রতিবেশী অঞ্চলের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।'

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে যে আনারস পাঠানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রপ্তানিযোগ্য মানের। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এবং প্রশাসনের কাছে ত্রিপুরার বিখ্যাত আনারসকে আরও পরিচিত করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। অপূর্ব রায় বলেন, 'ত্রিপুরার এই আনারস আন্তর্জাতিক মানের। আমরা চাই, বাংলাদেশের মানুষও এই পণ্যের গুণমান সম্পর্কে জানুক। এটি ত্রিপুরার পক্ষ থেকে একটি আন্তরিক উপহার।'

ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের মধ্যে মৌসুমি ফল বিনিময়ের এই প্রথা কয়েক বছর ধরেই চলে আসছে। কখনও বাংলাদেশ থেকে আসে আম, আবার কখনও ত্রিপুরা থেকে যায় আনারস। দুই দেশের সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রেও এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মনে করেন প্রশাসনিক কর্তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ফল বিনিময় শুধু কূটনৈতিক সৌজন্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের কৃষিপণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করে তোলার ক্ষেত্রেও তা সহায়ক। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাস, বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও মজবুত করতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe