সদ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছিলেন তাঁর দেশ ইরানে ৫ দিন কোনও বিদ্যুৎ প্ল্যান্টে হামলা করবে না। তাঁর নরম মনোভাব ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন নিভে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরই মাঝে জল্পনা সম্ভবত, পাকিস্তানে, ইরান ও আমেরিকা দুই দেশ মধ্যস্থতায় বসবে। এরই মাঝে মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কী নিয়ে কথা?

ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথা হয়েছে। গোর জানান, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়েছে। এছাড়াও হরমুজ প্রণালীকে সচল রাখার বিষয়েও দুই নেতার মধ্যে কথা হয়েছে বলে জানান গোর। প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী রুদ্ধ হতেই বিশ্বের বহু দেশের জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীকে সচল রাখা বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
ইজরায়েলের হুমকি, লেবানন ইরানের রাষ্ট্রদূতকে বলল দেশ ছাড়তে!
এদিকে, লেবাননে বহুদিন ধরেই ইজরায়েল হামলা করছে। ইরানে ইজরায়েলের হামলার পাশাপাশি লেবাননে ইরান সমর্থিত হেজবোল্লা গোষ্ঠীকে টার্গেট করে লেবাননে হামলা তুঙ্গে রেখেছে ইজরায়েল। সদ্য ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ মঙ্গলবার বলেছেন যে, সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদী পর্যন্ত পুরো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেবে। ইজরায়েল জানিয়েছে, তারা গত রাতে লিতানি নদীর ওপর একটি সেতু ধ্বংস করে দিয়েছে, যেটি তাদের মতে ইরান-সমর্থিত লেবানিজ জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ‘অস্ত্র, রকেট ও লঞ্চার স্থানান্তরের জন্য‘ ব্যবহার করত।
এদিকে, লেবাননে ইজরায়েলের প্রভূত হামলার পর এবার লেবানিজ সরকার, সেদেশে অবস্থিত ইরানের রাষ্ট্রদূতের অ্যাক্রিডিশন কেড়ে নিয়ে তাঁকে দেশে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। যে ঘটনা নিঃসন্দেহে বেশ জল্পনার উদ্রেক করেছে। লেবাননের বিদেশ মন্ত্রক মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা ইরানি রাষ্ট্রদূতের স্বীকৃতিপত্রের অনুমোদন প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং তাকে রবিবারের মধ্যে দেশ ছাড়ার সময় দিয়েছে। ইজরায়েলি হামলা ও হুমকির মাঝে লেবাননের সরকারের এমন পদক্ষেপ কেন, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
{{/usCountry}}এদিকে, লেবাননে ইজরায়েলের প্রভূত হামলার পর এবার লেবানিজ সরকার, সেদেশে অবস্থিত ইরানের রাষ্ট্রদূতের অ্যাক্রিডিশন কেড়ে নিয়ে তাঁকে দেশে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। যে ঘটনা নিঃসন্দেহে বেশ জল্পনার উদ্রেক করেছে। লেবাননের বিদেশ মন্ত্রক মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা ইরানি রাষ্ট্রদূতের স্বীকৃতিপত্রের অনুমোদন প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং তাকে রবিবারের মধ্যে দেশ ছাড়ার সময় দিয়েছে। ইজরায়েলি হামলা ও হুমকির মাঝে লেবাননের সরকারের এমন পদক্ষেপ কেন, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
{{/usCountry}}