ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে ইজরায়েল ও আমেরিকার হামলা। পাল্টা ইরানও ইজরায়েলে হামলা চালিয়েছে। শুধু তাই নয়, আরব বিশ্বের পর পর দেশে যেখানে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে সেখানে হামলা করেছে ইরান। এই যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। ফলত, জ্বালানি সংকট মাথাচাড়া দিয়েছে বহু দেশে। ভারতেও এলপিজির দাম বেড়েছে, বাণিজ্যিক এলিপিজিতে রাশ টেনেছে কেন্দ্র। এরই মাঝে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলে, তারা ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলিতে হামলা করবেন। তবে আপাতত তিনি জানিয়েছেন আগামী ৫ দিন সেই হামলা তিথি স্থগিত রাখছেন। কেন এমন সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের? তারও উত্তর তিনি দিয়েছেন।
সোমবার হঠাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, 'আমি জানাতে পেরে আনন্দিত যে, গত দুই দিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের শত্রুতার একটি পূর্ণাঙ্গ ও সার্বিক সমাধানের বিষয়ে অত্যন্ত ভালো এবং ফলপ্রসূ আলোচনা করেছে।' এরপর তিনি আবারও আলোচনাগুলোকে “গভীর, বিস্তারিত ও গঠনমূলক” বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন যে এগুলো সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকবে। তার জেরেই আগামী ৫ দিন ইরানের বিদ্যুৎ প্ল্যান্টগুলোতে মার্কিন হামলা হবে না বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই নরম হওয়া নিয়ে ইরানের তরফে পাল্টা বার্তা এসেছে। তেহরান সাফ বলছে, পিছু হটছে ওয়াশিংটন। আফগানিস্তানে ইরানের কূটনৈতিক মিশনের তরফে পোস্ট করা এক সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় বলা হয়েছে, 'ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হামলার ঘটনা ঘটলে তারা সমগ্র অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে বলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র হুমকি দেওয়ার পর, ট্রাম্প পিছু হটেন এবং জানান যে তিনি হামলাটি স্থগিত করার আদেশ দিয়েছেন।' এই পোস্টে ট্রাম্পের সেই চাঞ্চল্যকর বক্তব্যকে অস্বীকার করা হয়নি যে, গত দুই দিন ধরে আলোচনা চলছে। কিন্তু ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে 'কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগাযোগ হয়নি' ইরানের। ফলত, ট্রাম্প, ইরানের পক্ষ থেকে কোন ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে আমেরিকার আলোচনা হওয়ার কথা বলছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এদিকে, ইতিমধ্যেই সংসদে নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, এই যুদ্ধের ফলে আগামী সময়ে কঠিন দিন আসছে। হরমুজে জাহাজে হামলাও গ্রহণযোগ্য নয় বলে বার্তা দেন মোদী। এরপর ৫ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আমেরিকা হামলা রুদ্ধ করার পর দিল্লি জানিয়েছে, 'ঘটনা পরম্পরার দিকে নজর রাখা হচ্ছে।'
{{/usCountry}}এদিকে, ইতিমধ্যেই সংসদে নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, এই যুদ্ধের ফলে আগামী সময়ে কঠিন দিন আসছে। হরমুজে জাহাজে হামলাও গ্রহণযোগ্য নয় বলে বার্তা দেন মোদী। এরপর ৫ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আমেরিকা হামলা রুদ্ধ করার পর দিল্লি জানিয়েছে, 'ঘটনা পরম্পরার দিকে নজর রাখা হচ্ছে।'
{{/usCountry}}