১৬ মাস পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাৎ হয়েছে ফ্রান্সে আয়োজিত জি৭ সম্মেলনে। সম্মেলনের ফাঁকে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক হয় ট্রাম্পের। প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরে-র পর ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির বিতর্কিত দাবি ঘিরে দুই দেশে বিস্তর চর্চা চলেছে। এরই মাঝে আমেরিকার পাকিস্তানি সখ্যতার সমীকরণও নজর এড়ায়নি দিল্লির! এরপর সদ্য ইরান যুদ্ধের মাঝে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ যাতায়াত ইস্যু গোটা বিশ্বকে উদ্বেগে রেখেছিল। সদ্য ওমান উপকূলের কাছে মার্কিন হামলায় প্রাণ হারান ৩ ভারতীয়। এমন এক প্রেক্ষাপটে এদিন মোদী-ট্রাম্প বৈঠক হল ফ্রান্সে।

বৈঠক ঘিরে মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করতে দেখা যায় ট্রাম্পকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দেখিয়ে বলেন,' ওঁকে দেখতে অত্যন্ত সুন্দর লাগছে,একেবারে কোনও দেবদূতের মতো। কিন্তু আসলে তিনি একজন ‘কিলার’র মতোই কঠোর... অথচ তাঁর বাহ্যিক রূপটা এতই চমৎকার যে, তিনি মানুষকে চমকে দেন। এমন মানুষ খুব কমই দেখা যায়।' ট্রাম্পের আমেরিকার সঙ্গে শেহবাজ শরিফ, আসিম মুনিরের পাকিস্তানের সখ্যতার প্রেক্ষিতে প্রশ্ন বহু রয়েছে। এদিকে, এই বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘যতদিন আমি প্রেসিডেন্ট থাকব, ততদিন হোয়াইট হাউসে তারা (ভারত) এক অকৃত্রিম বন্ধুকে পাশে পাবে... এখানকার সবাই ভারতকে ভালোবাসে এবং এই মানুষটির (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) প্রতি তাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।’ ট্রাম্প জানান তিনি ভারতে আসতেও পরিকল্পনা রাখছেন। এরই মাঝে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ‘ যদি তারা (ভারত) আক্রান্ত হয় এবং তিনি (প্রধানমন্ত্রী মোদী) নেতা হিসেবে দায়িত্বে থাকেন, তবে আমরা সাহায্যের জন্য পাশে দাঁড়াব।’
ট্রাম্পের এই সমস্ত বার্তার মাঝেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর মুখে উঠে আসে জলপথে নাবিকদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ। উল্লেখ্য, মার্কিন হামলায় সদ্য ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুতে মার্কিন কূটনীতিককে একাধিকবার তলব করে দিল্লি। এরপর ট্রাম্পের সামনে বসে মোদী বলেন,'আপনারা জানেন যে, বিশ্ব সামুদ্রিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় নাবিক হরমুজ প্রণালী সহ বিশ্বের বিভিন্ন নৌ-বাণিজ্য রুটে তাঁদের দায়িত্ব পালন করছেন এবং বৈশ্বিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ... এই বোঝাপড়া ও চুক্তিতে (ইরানের সাথে) পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আপনারা (আমেরিকা)ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, তাই আমি নিশ্চিত যে, এই চুক্তি বাস্তবায়নের সময় নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।'
{{/usCountry}}ট্রাম্পের এই সমস্ত বার্তার মাঝেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর মুখে উঠে আসে জলপথে নাবিকদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ। উল্লেখ্য, মার্কিন হামলায় সদ্য ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুতে মার্কিন কূটনীতিককে একাধিকবার তলব করে দিল্লি। এরপর ট্রাম্পের সামনে বসে মোদী বলেন,'আপনারা জানেন যে, বিশ্ব সামুদ্রিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় নাবিক হরমুজ প্রণালী সহ বিশ্বের বিভিন্ন নৌ-বাণিজ্য রুটে তাঁদের দায়িত্ব পালন করছেন এবং বৈশ্বিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ... এই বোঝাপড়া ও চুক্তিতে (ইরানের সাথে) পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আপনারা (আমেরিকা)ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, তাই আমি নিশ্চিত যে, এই চুক্তি বাস্তবায়নের সময় নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।'
{{/usCountry}}