TTP on Pakistan Army: অপারেশন সিঁদুরে পরাজয়ের পর পাকিস্তান ইচ্ছাকৃতভাবে আফগানিস্তানকে নিশানা করে হামলা চালায়। এমনই অভিযোগ করেছে পাক তালিবান। সেই রিপোর্ট অনুসারে, তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা টিটিপি অভিযোগ করেছে, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তাঁর ভাবমূর্তি উন্নত করার জন্য আফগানিস্তানের সাথে সংঘাতে জড়িয়েছিলেন। ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে হামলার পর যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
সিএনএন নিউজ ১৮ অনুসারে, টিটিপির ম্যাগাজিন 'মুজাল্লাহ তালিবানের' ১১তম সংখ্যায় মুনিরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে মুনির আফগানিস্তানকে ভারতের চেয়ে সহজ লক্ষ্য হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন। ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সাথে সংঘাতে পরাজয়ের পরে তিনি আফগানিস্তানে হামলার পথটি বেছে নিয়েছিলেন। দাবি করা হচ্ছে, সামরিক সাফল্য দেখানোই ছিল এই হামলা মূল উদ্দেশ্য। প্রতিবেদন অনুসারে, টিটিপি পাকিস্তানি সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আঁতাত করার অভিযোগ তুলেছে। তারা বলেছে যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আফগান শহরগুলিতে বিমান হামলা চালানো হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট করতে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তানি ও আফগান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যে ভয়াবহ সংঘর্ষ বেঁধেছিল, তার কেন্দ্রে ছিল 'তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান' (টিটিপি)। পাকিস্তানের দাবি, টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে আফগান তালিবান। আর সেই সব জঙ্গি তারপর পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। এদিকে তালিবানের পালটা অভিযোগ, পাকিস্তান সরকার এবং সেনা ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করছে। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে বাইতুল্লাহ মেহসুদের নেতৃত্বে পাকিস্তানের ফেডারেল শাসিত উপজাতি এলাকার বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে একত্র করে টিটিপি গঠিত হয়। এই গোষ্ঠীকে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আল-কায়েদা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এর জন্ম হয়েছিল। বর্তমানে টিটিপির মূল লক্ষ্য হল পাকিস্তানের সরকারকে সরিয়ে তাদের নিজস্ব মতাদর্শে একটি ইসলামি শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
এই আবহে গত ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর মধ্যরাতের দিকে কাবুলের পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর পাক সীমান্তে সেনা আউটপোস্টে পালটা হামলা চালায় আফগনরা। সেই হামলায় পাকিস্তানের ৫৮ সেনা জওয়ান নিহত বলে দাবি করে তালিবান। এদিকে পাক সেনা দাবি করে, তাদের ২৩ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। তারপর গত ১৪ অক্টোবর রাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল। তাতে কমপক্ষে ১৫ আফগান নাগরিক এবং পাকিস্তানি আধাসামরিক বাহিনীর ৬ জন নিহত হয়েছিল। পরে নভেম্বরের শুরুতেও ফের আফগানিস্তানের স্পিন বলডক অঞ্চলে পাকিস্তানের তরফ থেকে গুলি চালানো হয়েছিল। পরে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফের টিটিপি ঘাঁটির নাম করে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান।
{{/usCountry}}এই আবহে গত ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর মধ্যরাতের দিকে কাবুলের পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর পাক সীমান্তে সেনা আউটপোস্টে পালটা হামলা চালায় আফগনরা। সেই হামলায় পাকিস্তানের ৫৮ সেনা জওয়ান নিহত বলে দাবি করে তালিবান। এদিকে পাক সেনা দাবি করে, তাদের ২৩ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। তারপর গত ১৪ অক্টোবর রাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল। তাতে কমপক্ষে ১৫ আফগান নাগরিক এবং পাকিস্তানি আধাসামরিক বাহিনীর ৬ জন নিহত হয়েছিল। পরে নভেম্বরের শুরুতেও ফের আফগানিস্তানের স্পিন বলডক অঞ্চলে পাকিস্তানের তরফ থেকে গুলি চালানো হয়েছিল। পরে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফের টিটিপি ঘাঁটির নাম করে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান।
{{/usCountry}}