...
...
Next Story

Twisha Sharma: গর্ভপাত, স্ত্রীকে ৭ লক্ষ টাকা! তদন্ত শুরু CBI-র, জেরায় চাঞ্চল্যকর দাবি ত্বিষা শর্মার স্বামীর

Twisha Sharma: সোমবার সুপ্রিম কোর্ট সিবিআইকে দ্রুত তদন্তভার গ্রহণ করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট গিরিবালা সিংকে দেওয়া আগাম জামিন চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি ২৭ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছে।

Published on: May 26, 2026 05:00 PM IST
Advertisement

Twisha Sharma: মধ্যপ্রদেশে ত্বিষা শর্মা-র মৃত্যু ঘিরে তদন্তে নয়া মোড়। ভোপাল পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করল সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। সুপ্রিম কোর্ট স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার এক দিন পরেই নতুন এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ত্বিষার স্বামী সমর্থ সিং বর্তমানে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। প্রায় ১০ দিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর জব্বলপুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। মধ্যপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের (সিট) জেরায় সমর্থ দাবি করেছেন, ত্বিষা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকেই নাকি সম্পর্কে অবনতি শুরু হয়। এবং গর্ভপাতের পর ত্বিষা 'মানসিকভাবে বিপর্যস্ত' হয়ে পড়েন।

চাঞ্চল্যকর দাবি ত্বিষা শর্মার স্বামীর (File Image/PTI)
চাঞ্চল্যকর দাবি ত্বিষা শর্মার স্বামীর (File Image/PTI)

গত ১২ মে ভোপালে শ্বশুরবাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল ৩৩ বছরের ত্বিষা শর্মার দেহ। শ্বশুরবাড়ির দাবি করে, তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। অন্যদিকে, ত্বিষার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর তাঁকে খুন করা হয়েছে। এদিকে, প্রথম ময়নাতদন্তে ‘অ্যান্টিমর্টেম হ্যাঙ্গিং’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। অর্থাৎ জীবিত অবস্থাতেই ফাঁস লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। দিল্লির এইমসের চিকিৎসকদের দল সেই পরীক্ষা করছে। পুলিশের জেরায় সমর্থ সিং দাবি করেছেন, বিয়ের পর প্রথম কয়েক মাস সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু গত ১৭ এপ্রিল ত্বিষা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকেই নাকি সম্পর্কে অবনতি শুরু হয়। এরপর গর্ভপাতের জেরে ত্বিষা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ঘটনার পর প্রায় এক সপ্তাহ জব্বলপুরে আত্মগোপন করে ছিলেল সমর্থ। মোবাইল ফোনও ব্যবহার করেননি, যাতে পুলিশ তার অবস্থান জানতে না পারে। কারা তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। যদিও এখনও কাউকে নাম বলতে রাজি হননি তিনি। সিটের জেরার সময়ে সমর্থ বার বার দাবি করেন, ত্বিষাকে তিনি সাত লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। তবে কেন সেই টাকা দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। পেশায় আইনজীবী সমর্থের ল্যাপটপ, মোবাইল, পাসপোর্ট, আধার কার্ড-সহ বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

মামলা দায়ের করল সিবিআই

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe