...
...
Next Story

Indian origin Muslim in US politics: US-তে জাদু ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিমদের! মামদানির পরে ইতিহাস গাজালার, কে তিনি?

ভারতীয় বংশোদ্ভূত গাজালা হাশমি ভার্জিনিয়ার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্বাচনে জিতে ইতিহাস গড়লেন। ১৯৬৪ সালের ৫ জুলাই হায়দরাবাদে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আর জোহরান মামদানি নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

Published on: Nov 5, 2025, 10:55:17 IST
Advertisement

আমেরিকার রাজনীতিতে জোড়া ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটল। ভারতীয় বংশোদ্ভূত দুই মুসলিম নেতা গুরুত্বপূর্ণ পদে জয়লাভ করেছেন। ১৯৬৪ সালের ৫ জুলাই হায়দরাবাদে জন্মগ্রহণ করা ডেমোক্র্যাট এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত গাজালা হাশমি ভার্জিনিয়ার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্বাচনে জিতে ইতিহাস তৈরি করেছেন। তিনি রিপাবলিকান জন রিডকে পরাজিত করেছেন। প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশিয়ান-আমেরিকান হিসেবে সেই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। গাজালা বর্তমানে ১৫ তম সেনেটোরিয়াল ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধিত্ব করে ভার্জিনিয়া সেনেটে কাজ করছেন। লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে তার এই জয়ের অর্থ হল যে তাঁর সেনেট আসন পূরণের জন্য একটি বিশেষ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

রাজনীতিতে ব্যাপক সাফল্য গাজালার

ভারতীয় বংশোদ্ভূত গাজালা হাশমি ভার্জিনিয়ার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্বাচনে জিতে ইতিহাস গড়লেন। (ছবি সৌজন্যে এপি)
ভারতীয় বংশোদ্ভূত গাজালা হাশমি ভার্জিনিয়ার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্বাচনে জিতে ইতিহাস গড়লেন। (ছবি সৌজন্যে এপি)

২০১৯ সালে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে পা রাখেন গাজালা হাশমি। তারপরই চমক দেন। রিপাবলিকান-শাসিত রাজ্যের সেনেট আসনের পাশা পালটে দেন। ভার্জিনিয়া জেনারেল অ্যাসেম্বলির জন্য নির্বাচিত হন। পাঁচ বছর পরে ২০২৪ সালে তাঁকে সেনেট শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কমিটির চেয়ারপার্সন মনোনীত করা হয়। গাজালার ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, তিনি আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশগত ন্যায়বিচারের মতো বিষয়ে বৈষম্যের উপর মনোযোগ দিয়ে অন্যদের জীবন উন্নত করার জন্য ব্রত নিয়েছেন গাজালা।

হায়দরাবাদের মেয়ে গাজালা হাশমি আদতে কে?

১) ১৯৬৪ সালের ৫ জুলাই হায়দরাবাদে জিয়া হাশমি এবং তানভির হাশমির পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন গাজালা।

২) গাজালার বয়স যখন চার, তখন মা এবং দাদার সঙ্গে ভারত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। তাঁর বাবা অধ্যাপক জিয়া হাশমি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। গাজালার বাবা জর্জিয়ায় ছিলেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে পিএইচডি করছিলেন। আর নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার কেরিয়ার শুরু করছিলেন গাজালার বাবা। আর গাজালার মা ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা কলেজ থেকে বিএ এবং বিএড করেছিলেন।

৪) ৩০ বছর আগে আজহার রফিকের সঙ্গে বিয়ে হয় গাজালার। তাঁদের দুই মেয়ে আছে - ইয়াসমিন এবং নূর। গাজালা জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের বাবা অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের কর্মচারী ছিলেন। এখনও শহরে তাঁর পরিবার আছে। আর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe