আমেরিকার রাজনীতিতে জোড়া ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটল। ভারতীয় বংশোদ্ভূত দুই মুসলিম নেতা গুরুত্বপূর্ণ পদে জয়লাভ করেছেন। ১৯৬৪ সালের ৫ জুলাই হায়দরাবাদে জন্মগ্রহণ করা ডেমোক্র্যাট এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত গাজালা হাশমি ভার্জিনিয়ার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্বাচনে জিতে ইতিহাস তৈরি করেছেন। তিনি রিপাবলিকান জন রিডকে পরাজিত করেছেন। প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশিয়ান-আমেরিকান হিসেবে সেই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। গাজালা বর্তমানে ১৫ তম সেনেটোরিয়াল ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধিত্ব করে ভার্জিনিয়া সেনেটে কাজ করছেন। লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে তার এই জয়ের অর্থ হল যে তাঁর সেনেট আসন পূরণের জন্য একটি বিশেষ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
রাজনীতিতে ব্যাপক সাফল্য গাজালার

২০১৯ সালে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে পা রাখেন গাজালা হাশমি। তারপরই চমক দেন। রিপাবলিকান-শাসিত রাজ্যের সেনেট আসনের পাশা পালটে দেন। ভার্জিনিয়া জেনারেল অ্যাসেম্বলির জন্য নির্বাচিত হন। পাঁচ বছর পরে ২০২৪ সালে তাঁকে সেনেট শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কমিটির চেয়ারপার্সন মনোনীত করা হয়। গাজালার ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, তিনি আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশগত ন্যায়বিচারের মতো বিষয়ে বৈষম্যের উপর মনোযোগ দিয়ে অন্যদের জীবন উন্নত করার জন্য ব্রত নিয়েছেন গাজালা।
হায়দরাবাদের মেয়ে গাজালা হাশমি আদতে কে?
১) ১৯৬৪ সালের ৫ জুলাই হায়দরাবাদে জিয়া হাশমি এবং তানভির হাশমির পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন গাজালা।
২) গাজালার বয়স যখন চার, তখন মা এবং দাদার সঙ্গে ভারত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। তাঁর বাবা অধ্যাপক জিয়া হাশমি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। গাজালার বাবা জর্জিয়ায় ছিলেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে পিএইচডি করছিলেন। আর নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার কেরিয়ার শুরু করছিলেন গাজালার বাবা। আর গাজালার মা ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা কলেজ থেকে বিএ এবং বিএড করেছিলেন।
৩) গাজাল হাশমি তার হাই স্কুল ক্লাসে ভ্যালেডিক্টোরিয়ান হিসেবে স্নাতক হন। পান ফেলোশিপ। তিনি জর্জিয়া সাদার্ন ইউনিভার্সিটি থেকে বিএ সম্পূর্ণ করেন। তারপর আটলান্টার এমোরি ইউনিভার্সিটি থেকে আমেরিকান সাহিত্যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন গাজালা।
{{/usCountry}}৩) গাজাল হাশমি তার হাই স্কুল ক্লাসে ভ্যালেডিক্টোরিয়ান হিসেবে স্নাতক হন। পান ফেলোশিপ। তিনি জর্জিয়া সাদার্ন ইউনিভার্সিটি থেকে বিএ সম্পূর্ণ করেন। তারপর আটলান্টার এমোরি ইউনিভার্সিটি থেকে আমেরিকান সাহিত্যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন গাজালা।
{{/usCountry}}৪) ৩০ বছর আগে আজহার রফিকের সঙ্গে বিয়ে হয় গাজালার। তাঁদের দুই মেয়ে আছে - ইয়াসমিন এবং নূর। গাজালা জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের বাবা অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের কর্মচারী ছিলেন। এখনও শহরে তাঁর পরিবার আছে। আর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে।