Wayanad Landslide: ফের প্রকৃতির রুদ্ররোষে ওয়েনাড়। গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে কেরল সংলগ্ন ওয়েনাড়ের মীনাক্ষী ব্রিজের কাছে এক ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ধসের জেরে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৬ জন। এখনও নিখোঁজ অন্তত ৪ জন।। ঘটনাটি মনে করিয়ে দিচ্ছে ২০২৪ সালের সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের স্মৃতি, যাতে তিনশোরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। আর কেরলের মন্ত্রী রমেশ চেন্নিথলা এবং টি সিদ্দিক এই ভূমিধসকে '‘মানবসৃষ্ট’' বলে অভিহিত করেছেন। সুরঙ্গ প্রকল্প এলাকায় অবৈজ্ঞানিক উপায়ে আবর্জনা ও মাটি স্তূপ করে রাখাকেই এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তাঁরা । খনন করা এই আবর্জনা কেন প্রকল্প এলাকা থেকে সরানো হয়নি, তা নির্মাণ সংস্থার কাছে জানতে চেয়েছেন দুই মন্ত্রী।

কেরলের দুই মন্ত্রীর প্রশ্নের এর জবাবে পরিকাঠামো নির্মাণ সংস্থা 'দিলীপ বিল্ডকন' কারিগরি কোনও ত্রুটির সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়েছে, যে কারণে এই ভূমিধসে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। দিলীপ বিল্ডকন জানিয়েছে, এই প্রকল্পটি সমস্ত ইঞ্জিনিয়ারিং, নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত অনুমোদন ও নিয়মকানুন মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। এই ঘটনায় ছয়জন আহত হয়েছেন। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) দুটি দল-সহ উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখছেন। ভূমিধসের কিছু আগে থেকেই সেখানে টানা বৃষ্টি হচ্ছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় ওই এলাকায় ২৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
মন্ত্রী সিদ্দিক বলেছেন, ২০২৪ সালের একটি ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় বেঁচে যাওয়া মানুষদের জন্য যেখানে বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে, সেই 'ওয়েনাড় টাউনশিপ' প্রকল্প এলাকাতেও একইভাবে খনন করা মাটি স্তূপ করে রাখা হয়েছিল। কেরলের কৃষিমন্ত্রী টি সিদ্দিক বলেন, 'সুরঙ্গ প্রকল্প থেকে বের করা কাদা বা মাটি কেন কোনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই সেখানে রাখা হয়েছিল, সরকার তা তদন্ত করে দেখছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ একেবারেই মানা হয়নি।' তিনি আরও বলেন, 'প্রকল্পের কাছাকাছি থাকা আটটি পরিবারকে পুনর্বাসন দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছিলেন যে, প্রকল্প থেকে জল নিষ্কাশনের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। এটি কোনও প্রাকৃতিক ভূমিধস নয়, বরং সুরঙ্গ প্রকল্পের ড্রিলিংয়ের পর সেখানে জমিয়ে রাখা মাটির কারণেই এই ‘মানবসৃষ্ট’ দুর্যোগ ঘটেছে।' কেরলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথলাও সিদ্দিকের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, এটি প্রকৃতপক্ষে একটি ‘মানবসৃষ্ট বিপর্যয়।' জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী নির্মাণ সংস্থা যদি সুরঙ্গের কাজের সময় খনন করা বিশাল পরিমাণ মাটি সরিয়ে ফেলত, তবে এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।
চেন্নিথলা বলেন, 'এটি নিশ্চিতভাবেই একটি মানবসৃষ্ট বিপর্যয়। সংস্থাটি যদি স্তূপীকৃত মাটি সরিয়ে নিত, তবে এই ঘটনা ঘটত না। এটি পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকা, যা প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ।' তিনি আরও বলেন, 'এমন একটি জায়গায় যখন সুরঙ্গ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়, তখন খনন করা মাটি অবিলম্বে সরিয়ে ফেলা উচিত।' ভূমিধসের এই ঘটনাটি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, একটি সেতুর কাছে জমে থাকা বিশাল মাটির স্তূপ বৃষ্টির কারণে হঠাৎ ধসে পড়ে এবং নির্মাণস্থলের গাছপালা ও ব্যারিকেডগুলো ভেঙে যায়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ডি সতীশন বলেন, জমে থাকা কাদা সময়মতো অপসারণের বিষয়ে জেলা কালেক্টর ও পিডব্লিউডি মন্ত্রীর নির্দেশনা মানতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রকল্পের ঠিকাদার। তিনি জানান, ওয়েনাড়ের জেলা কালেক্টর ২০ জুন কাদা অপসারণের নির্দেশ দিয়ে একটি আদেশ জারি করেছিলেন। এছাড়া, পি ডব্লু ডি মন্ত্রী বৈঠক ডেকে কাদা পরিষ্কার করার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
{{/usCountry}}চেন্নিথলা বলেন, 'এটি নিশ্চিতভাবেই একটি মানবসৃষ্ট বিপর্যয়। সংস্থাটি যদি স্তূপীকৃত মাটি সরিয়ে নিত, তবে এই ঘটনা ঘটত না। এটি পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকা, যা প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ।' তিনি আরও বলেন, 'এমন একটি জায়গায় যখন সুরঙ্গ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়, তখন খনন করা মাটি অবিলম্বে সরিয়ে ফেলা উচিত।' ভূমিধসের এই ঘটনাটি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, একটি সেতুর কাছে জমে থাকা বিশাল মাটির স্তূপ বৃষ্টির কারণে হঠাৎ ধসে পড়ে এবং নির্মাণস্থলের গাছপালা ও ব্যারিকেডগুলো ভেঙে যায়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ডি সতীশন বলেন, জমে থাকা কাদা সময়মতো অপসারণের বিষয়ে জেলা কালেক্টর ও পিডব্লিউডি মন্ত্রীর নির্দেশনা মানতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রকল্পের ঠিকাদার। তিনি জানান, ওয়েনাড়ের জেলা কালেক্টর ২০ জুন কাদা অপসারণের নির্দেশ দিয়ে একটি আদেশ জারি করেছিলেন। এছাড়া, পি ডব্লু ডি মন্ত্রী বৈঠক ডেকে কাদা পরিষ্কার করার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
{{/usCountry}}