সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করতে 'সব বিকল্প' খতিয়ে দেখছে পাকিস্তান। ব্লুমবার্গকে পাকিস্তানি অর্থমন্ত্রী মহম্মদ ঔরঙ্গজেব বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঋণ শোধ করতে বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থা নেওয়া হবে। এই আবহে মনে করা হচ্ছে, আকাশছোঁয়া তেলের দামের মধ্যেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের টাকা ফেরত দিয়ে নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের স্তর বজায় রাখতে চাইছে পাকিস্তান। এই আবহে অনুমান করা হচ্ছে, অন্য দেশ ও ব্যাঙ্ক থেকে অর্থায়নের বিকল্পও বিবেচনা করছে পাকিস্তান। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঋণ 'রোল ওভার' করতে আলোচনায় বসেছিল পাকিস্তান। তবে সেই আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। এই আবহে ৩.৪৫ বিলিয়ন ঋণ ফেরত দিতে বলে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৭ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ ছিল ১৬.৪ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানের মোট বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের প্রায় ১৮ শতাংশ হল আমিরাতি ঋণের পরিমাণ। তিন মাসের আমদানির জন্য যা যথেষ্ঠ। তবে নিজের পকেট থেকে যদি পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাতের টাকা ফিরিয়ে দেয়, তাহলে এই রিজার্ভে জোর ধাক্কা লাগবে। এই পরিস্থিতিতে চিন বা সৌদি থেকে ঋণ নিয়ে পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঋণ মেটাবে কি না, তা নিয়ে ঔরঙ্গজেবকে প্রশ্ন করা হয়। সেই প্রশ্ন অবশ্য তিনি এড়িয়ে যান।
অনেক বিশ্লেষকের অনুমান, সৌদির সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির জেরেই সংযুক্ত আরব আমিরাত কঠোর হয়েছে ইসলামাবেদর ওপর। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আইএমএফ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চিন এবং সৌদি আরবের থেকে আর্থিক সহায়তা নিয়ে নিজেদের অর্থনীতি কিছুটা স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে পাকিস্তান। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এভাবে এক ঝটকায় ঋণ পরিশোধ করতে বলায় জোর ধাক্কা খেয়েছে পাকিস্তান।
সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক চুক্তির জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিরক্ত। সৌদি-পাক চুক্তির পরই ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এদিকে আবার পাকিস্তানের ফৌজি ফাউন্ডেশনের শেয়ারের বদলে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে এখন সেই প্রতিশ্রুতির কী হবে, তা স্পষ্ট নয়। এই ফৌজি ফাউন্ডেশন আদতে পাকিস্তানি সেনার পরিচালিত একটি কর্পোরেট সংস্থা। যারা কি না, পাচার থেকে শুরু করে খাবার বিক্রির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছে।
{{/usCountry}}সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক চুক্তির জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিরক্ত। সৌদি-পাক চুক্তির পরই ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এদিকে আবার পাকিস্তানের ফৌজি ফাউন্ডেশনের শেয়ারের বদলে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে এখন সেই প্রতিশ্রুতির কী হবে, তা স্পষ্ট নয়। এই ফৌজি ফাউন্ডেশন আদতে পাকিস্তানি সেনার পরিচালিত একটি কর্পোরেট সংস্থা। যারা কি না, পাচার থেকে শুরু করে খাবার বিক্রির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছে।
{{/usCountry}}