...
...
Next Story

UK MP Racial Slur: ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা ব্রিটেনের মানুষের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে, বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য ব্রিটিশ সাংসদের

ভারতীয় ও পাকিস্তানি অভিবাসীদের উদ্দেশ করে রুপার্ট লোয়ের করা মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুপার্ট লো দাবি করেছেন, ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা ব্রিটেনের মানুষের চাকরি কেড়ে নিচ্ছেন। তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক ও রাজনৈতিক স্তরে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

Published on: May 29, 2026, 14:16:23 IST
Advertisement

ব্রিটেনে অভিবাসন এবং কর্মসংস্থান নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন ব্রিটিশ সাংসদ রুপার্ট লো। ভারতীয় ও পাকিস্তানি অভিবাসীদের উদ্দেশ করে তাঁর করা মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুপার্ট লো দাবি করেছেন, ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা ব্রিটেনের মানুষের চাকরি কেড়ে নিচ্ছেন। তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক ও রাজনৈতিক স্তরে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

ভারতীয় ও পাকিস্তানি অভিবাসীদের উদ্দেশ করে রুপার্ট লোয়ের করা মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
ভারতীয় ও পাকিস্তানি অভিবাসীদের উদ্দেশ করে রুপার্ট লোয়ের করা মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিবাসন নীতি এবং কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়েই তিনি এই মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, বিদেশি কর্মীদের সংখ্যা বাড়ার ফলে স্থানীয় ব্রিটিশ নাগরিকদের চাকরির সুযোগ কমছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলি থেকে আসা অভিবাসীদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি মন্তব্য করেন, ভারতীয় ও পাকিস্তানি কর্মীরা ব্রিটেনের শ্রমবাজারে বড় প্রভাব ফেলছেন।

এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিভিন্ন মহল থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে। সমালোচকদের একাংশের অভিযোগ, রুপার্ট লোয়ের বক্তব্য বিভাজনমূলক এবং বর্ণবিদ্বেষমূলক। তাঁদের মতে, এই ধরনের মন্তব্য ব্রিটেনে বসবাসকারী দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশও মনে করছেন, অভিবাসন ইস্যুকে সামনে রেখে জনসমর্থন টানার লক্ষ্যেই এই ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেনে দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসন একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যু। কর্মসংস্থান, অর্থনীতি এবং সামাজিক ভারসাম্য নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রায়ই এই বিষয়ে মত প্রকাশ করে থাকে। তবে ভারতীয় ও পাকিস্তানি সম্প্রদায় ব্রিটেনের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য পরিষেবা, প্রযুক্তি এবং ব্যবসাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বলেও বিভিন্ন মহলে উল্লেখ করা হয়েছে। রুপার্ট লোয়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে। সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু মানুষ তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। অন্যদিকে, অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে ব্রিটেনে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe