...
...
Next Story

লালকেল্লা বিস্ফোরণের নেপথ্যে আল-কায়েদা যোগ! রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

Red Fort attack: রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ (AQIS) দক্ষিণ-পূর্ব আফগানিস্তানে সক্রিয় রয়েছে এবং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন সেল (শাখা) গড়ে তুলতে বাংলাদেশকে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।

Published on: Aug 13, 2026, 13:57:24 IST
Advertisement

Red Fort attack: গত বছর নভেম্বরে দিল্লির লালকেল্লার কাছে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের (Delhi Blast) নেপথ্যে ছিল আল-কায়েদা যোগ (Al Qaeda)। এবার এমনটাই দাবি করল রাষ্ট্রসংঘ। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিমের' প্রকাশিত রিপোর্টে (UN Report) স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই হামলার মূল কারিগর ছিল ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ বা একিউআইএস-এর (AQIS) সঙ্গে যুক্ত একটি আঞ্চলিক চক্রান্তকারী দল। দিল্লির এই বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই ১১ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় আল-কায়দার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘের পর্যবেক্ষক দল।

লাল কেল্লা বিস্ফোরণের নেপথ্যে আল-কায়েদা যোগ!
লাল কেল্লা বিস্ফোরণের নেপথ্যে আল-কায়েদা যোগ!

রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ (AQIS) দক্ষিণ-পূর্ব আফগানিস্তানে সক্রিয় রয়েছে এবং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন সেল (শাখা) গড়ে তুলতে বাংলাদেশকে ব্যবহারের চেষ্টা করছে। লাল কেল্লার হামলাটিকে গোষ্ঠীটির নতুন করে ফিরে পাওয়া কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বড় কোনও ইউনিটের বদলে অত্যন্ত ছোট ও বিকেন্দ্রীভূত গুপ্ত সেলের মাধ্যমে তারা কাজ চালাচ্ছে, যা গোয়েন্দাদের নজর এড়াতে সাহায্য করছে। একই সঙ্গে লজিস্টিক ও আর্থিক দিক থেকে নিজেদের আরও পুনর্গঠিত করেছে তারা। রিপোর্টে এই আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছে যে, একিউআইএস নতুন সেল গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে, যার ফলে দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে তাদের কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই রিপোর্টে আলাদাভাবে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত হিংসা তীব্রভাবে বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তালিবানের বিরুদ্ধে ‘তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান’ (TTP)-কে সহায়তা অব্যাহত রাখার অভিযোগ রয়েছে। এই গোষ্ঠীটি পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলা চালাচ্ছে মাঝে মাঝেই। হামলার এই বৃদ্ধির ফলে পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা বেড়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়ায় 'ইত্তিহাদ-উল-মুজাহিদিন পাকিস্তান' (আইএমপি)-এর চালানো বিভিন্ন হামলার সঙ্গেও একিউআইএস (AQIS)-এর যোগসূত্র পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে বান্নুতে একটি নিরাপত্তা চৌকির কাছে প্রাণঘাতী আত্মঘাতী বোমা হামলা এবং গাড়িতে বিস্ফোরক ব্যবহার করে চালানো হামলা। পাশাপাশি, এই রিপোর্টে আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে মারাত্মক উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রভিন্স সহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন এআই ব্যবহার করে বোমা তৈরি ও টার্গেট নির্ধারণের মতো তথ্য সংগ্রহ করছে। দ্রুত নিজেদের প্রচার ছড়িয়ে দিতে এআই দিয়ে বহুভাষায় অনুবাদের কাজও চালানো হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী পরিবর্তিত এই জঙ্গি নেটওয়ার্ক দমনে নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। লাল কেল্লায় বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে একিউআইএস-এর যোগের বিষয়টি ভারতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে ২০২৫ সালের নভেম্বরের ওই হামলাটিকে আল-কায়েদার কর্মকাণ্ডের বৃহত্তর আঞ্চলিক নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe