...
...
Next Story

UNESCO warns Pakistan: তক্ষশিলায় অবৈজ্ঞানীক পদ্ধতিতে সংস্কার! পাকিস্তানকে ‘ডেঞ্জার লিস্ট’ তোপ UNESCOর

UNESCO warns Pakistan: গত মার্চ মাসে, এক পর্যটক তথা পুরাতত্ত্বপ্রেমী প্যারিসে ইউনেস্কোর দফতরে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধির কাছে তক্ষশীলার কিছু তথ্য ও ছবি পেশ করেছিলেন। যেখানে পাক পাঞ্জাব প্রদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের পুনর্নির্মাণের কাজ সংক্রান্ত বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

Published on: Jul 3, 2026, 17:42:42 IST
Advertisement

UNESCO warns Pakistan: তক্ষশিলা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটে নির্মাণকাজ চালানোয় রাষ্ট্রসংঘের সংস্থা ইউনেস্কোর তোপের মুখে পড়ল পাকিস্তান। তাদের দাবি, চরম অবৈজ্ঞানীক পদ্ধতিতে সংস্কার করা হচ্ছে তক্ষশীলার প্রাচীন ইমারতগুলির। একই সঙ্গে ইউনেস্কো জানিয়ে দিয়েছে, অবিলম্বে যাবতীয় নির্মাণকাজ বন্ধ করে ওই হেরিটেজ সাইটকে আগের অবস্থায় ফেরাতে হবে। মহেঞ্জোদারো এবং হরপ্পার পরেই পাকিস্তানে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ তক্ষশীলার (বর্তমান নাম ট্যাক্সিলা) পরিচিতি।

পাকিস্তানকে ‘ডেঞ্জার লিস্ট’ তোপ UNESCOর (সৌজন্যে টুইটার)
পাকিস্তানকে ‘ডেঞ্জার লিস্ট’ তোপ UNESCOর (সৌজন্যে টুইটার)

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রসংঘের এই সংস্থা সম্প্রতি এক বৈঠকে পাক সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, মোহরা মোরাডু এবং সিরকাপের ঐতিহাসিক কাঠামো দু’টির ‘চরিত্র’ বদলে গেলে তাকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্যক্ষেত্র’ হিসাবে মর্যাদা দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তার বদলে ঠাঁই হতে পারে ‘ডেঞ্জার লিস্ট’-এ। এর আগে অবৈজ্ঞানীক পদ্ধতিতে সংস্কারের কারণে জার্মানির একটি বিশ্ব ঐতিহ্যক্ষেত্রের মর্যাদা প্রত্যাহার করেছিল ইউনেস্কো। প্রয়োজন পড়লে গোটা তক্ষশিলাকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকা থেকেও বাদ দেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে ওই সতর্ক বার্তায়।

ট্যাক্সিলা কোথায় অবস্থিত?

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রওয়ালপিন্ডির তক্ষশীলার ঐতিহ্যক্ষেত্রে রয়েছে একটি মধ্যপ্রস্তর যুগের গুহা, চারটি প্রাচীন বসতির প্রত্নতাত্ত্বিক অবশেষ, কয়েকটি প্রাচীন বৌদ্ধবিহার, একটি মসজিদ ও মাদ্রাসা। ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এই চারটি বসতির ধ্বংসাবশেষ পাঁচ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে নগর বিকাশের ধারার চিত্র তুলে ধরে।

রাষ্ট্রসংঘ কেন পাকিস্তানকে সতর্ক করেছে?

পরিদর্শনের সময় পাঞ্জাব আর্কিয়োলজি ডিপার্টমেন্ট তাদের পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে মোহরা মোরাডু এবং সিরকাপের সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার কাজের যে সুনির্দিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়েছিল, পাঞ্জাব আর্কিয়োলজি ডিপার্টমেন্ট তা দিতে ব্যর্থ হয়। ডিওএম-এর বক্তব্য, আদি দেওয়ালের উপরে সিমেন্টের এমন কাজ করা ইউনেস্কোর নিয়মবিধির চরম পরিপন্থী। ইউনেস্কো সতর্ক করে দিয়েছে যে এই 'অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপগুলো' এই স্থানগুলোর সত্যতা এবং অখণ্ডতার সঙ্গে আপস করেছে এবং এর ফলে স্থানগুলো 'ডেঞ্জার লিস্ট'-এ যুক্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তবে যারা এ কাণ্ড ঘটিয়েছে, সেই পাঞ্জাব আর্কিয়োলজি ডিপার্টমেন্টের বক্তব্য, নতুন নির্মাণে তক্ষশিলার আদি বৈশিষ্টে কোনও প্রভাব পড়েনি। ডিপার্টমেন্টের ডিজি মালিক জাহির আব্বাস বলেন, ‘আমরা যে ভাবে কাজ করেছি, তাতে কোনও নিয়মই লঙ্ঘিত হয়নি। এটা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ, নির্মাণ নয়।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe