দিনেদুপুরে রাস্তার উপর গুলি চালাচ্ছে এক ব্যক্তি। মোটরবাইকে থাকা এক যুবককে লক্ষ্য করে পর পর গুলি। প্রাণ বাঁচাতে পালানোর চেষ্টা করেও শেষরক্ষা হল না তাঁর। হামলাকারী ব্যাগ থেকে দ্বিতীয় আগ্নেয়াস্ত্র বের করে ফের গুলি চালাল। তার পর দু’হাত তুলে চলে গেল ঘটনাস্থল থেকে। পাকিস্তানের এমনই একটি ভিডিয়ো ঘিরে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে সমাজমাধ্যমে। দাবি, নিহত ব্যক্তি লস্কর-ই-তইবার (এলইটি) শীর্ষ কমান্ডার ইমরান। তাঁর সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের যোগাযোগ ছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে। যদিও নিহত ব্যক্তির পরিচয় থেকে শুরু করে ঘটনাস্থল, কোনও কিছুই স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
দিনেদুপুরে গুলি, তার পর উধাও আততায়ী

ভাইরাল ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে, একটি আবাসন বা চত্বরের ফটক দিয়ে মোটরবাইক নিয়ে বেরিয়ে আসছেন এক ব্যক্তি। সেই সময় সাদা পোশাক পরা এক ব্যক্তি তাঁর দিকে এগিয়ে এসে গুলি চালাতে শুরু করেন। হামলা থেকে বাঁচতে বাইক নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন আক্রান্ত ব্যক্তি। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যান তিনি।
এর পরেও থামেননি আততায়ী। মাটিতে পড়ে থাকা ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকেন তিনি। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, হামলাকারী নিজের ব্যাগ থেকে আরও একটি পিস্তল বের করে সেটি দিয়েও গুলি চালাচ্ছেন। তার পর দু’হাত তুলে কোনও রকম উচ্ছ্বাস প্রকাশের ভঙ্গি করে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। আক্রান্ত ব্যক্তিকে রাস্তার উপর নিশ্চল অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ভিডিয়োটিতে ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, সকাল ১১টা ৫৪ মিনিটের একটি সময়চিহ্ন রয়েছে। তবে শুধু ওই সময়চিহ্ন দেখে ঘটনার প্রকৃত সময় বা স্থান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ভিডিয়োটির উৎস সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য তথ্য মেলেনি।
নিহত কি লস্করের শীর্ষ কমান্ডার?
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, নিহত ব্যক্তি ইমরান নামে লস্কর-ই-তইবার এক কমান্ডার। কয়েকটি পোস্টে তাঁকে আইএসআইয়ের সঙ্গে যুক্ত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই দাবির সমর্থনে এখনও কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি।
পাকিস্তান প্রশাসনের তরফে নীরবতা
{{/usCountry}}সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, নিহত ব্যক্তি ইমরান নামে লস্কর-ই-তইবার এক কমান্ডার। কয়েকটি পোস্টে তাঁকে আইএসআইয়ের সঙ্গে যুক্ত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই দাবির সমর্থনে এখনও কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি।
পাকিস্তান প্রশাসনের তরফে নীরবতা
{{/usCountry}}ঘটনা নিয়ে পাকিস্তানের পুলিশ, পঞ্জাব প্রদেশের প্রশাসন কিংবা সেনাবাহিনীর কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে জানানো হয়নি। হামলার তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তা-ও এখনও স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, লস্কর-ই-তইবা পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠন, যার বিরুদ্ধে ভারতে একাধিক জঙ্গি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।