Unknown Gunmen kills Pak Terrorist: 'অজ্ঞাত বন্দুকধারী'র হামলায় খতম আরও এক পাকিস্তানি জঙ্গি নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে খাইবার পাখতুনখোয়াতে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মৃত জঙ্গি নেতার নাম শেখ ইউসুফ আফ্রিদি। সন্ত্রাসী সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার ছিল এই জঙ্গি। সে লস্কর প্রধান হাফিজ সইদের খুব ঘনিষ্ঠ বলেও জানা যায়। বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে রাস্তাতেই হামলাকারীরা আফ্রিদির ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এর জেরে সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু হয় এই জঙ্গি নেতার। ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত এই মামলায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পাক পুলিশ।

সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শেখ ইউসুফ আফ্রিদি দীর্ঘদিন ধরে লস্কর প্রধানের অনুগামী ছিল। পাঠান অধ্যুষিত খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে মুজাহিদকে প্রস্তুত করার কাজ করত সে। এখান থেকে জঙ্গিদের দলে নিয়ে কাশ্মীর এবং অন্যান্য জায়গায় পাঠাত আফ্রিদি। লস্করের খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রধান হিসাবে বিবেচনা করা হত এই আফ্রিদিকে। হফিজ সইদের সঙ্গে একাধিকবার প্রকাশ্যে হাজির হয়েছে আফ্রিদি। এহেন লস্কর কমান্ডারের মৃত্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, একটি অটোতে করে দুই বন্দুকধারী রাস্তায় নেমে একটি সাদা এসইউভি গাড়ির ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় এবং তারপর তারা ফের সেই অটোতে উঠে পড়ে। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।
এদিকে পাক পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে এটি টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনা। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেনি। এদিকে পাকিস্তানে বিগত বেশ কিছু বছর ধরেই অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা প্রতিনিয়ত ভারতবিরোধী জঙ্গিদের খতম করে চলেছে। এই সব জঙ্গি নেতাদের জামাই আদর করে রেখেছিল পাকিস্তানি সেনা। আর তাদের মৃত্যুতে বারংবার ইসলামাবাদের কান্নাকাটি দেখা গিয়েছে। স্বভাবতই, প্রতিবার এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটার পরই পাকিস্তানের তরফ থেকে ভারতের দিকে আঙুল তোলা হয়। যদিও আজও পর্যন্ত একটি ঘটনাতেও ভারতের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পাকিস্তান দিতে পারেনি। ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, তারা কোনও দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে না বা কোনো মানুষ হত্যার সঙ্গে জড়িত নয়।