UPSC Civil Services Success Story: ইউরোপের চাকরি ছেড়েও UPSC-তে সাফল্য মেলেনি, ১ সিদ্ধান্তেই পালটাল অম্বিকার ভাগ্য
UPSC Civil Services Success Story: ইউরোপের দেশ সুইৎজারল্যান্ডের চাকরি ছেড়ে সঙ্গে-সঙ্গে ইউপিএসসি সার্ভিসেস পরীক্ষায় সাফল্য মেলেনি। কিন্তু একটি সিদ্ধান্তেই পালটে যায় অম্বিকা রানার ভাগ্য। তিনি ইন্ডিয়ান অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস সার্ভিসেস (IA&AS) অফিসার।
UPSC Success Story: সুইৎজারল্যান্ডে চাকরি করতেন। কিন্তু ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার স্বপ্নপূরণের জন্য সেই চাকরি ছেড়ে দেন। সেখান থেকে শুরু করেন ইউপিএসসির প্রস্তুতি। প্রথম দুটি অ্যাটেম্পটে সাফল্য আসেননি। তৃতীয় অ্যাটেম্পটে এক পরিবর্তন করে নিজের ভাগ্য পালটে ফেলেন অম্বিকা রানা। শেষপর্যন্ত ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় ১৬৪ তম স্থান অধিকার করে ইন্ডিয়ান অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস সার্ভিসেস (IA&AS) অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। যিনি স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পড়াশোনা শেষে সুইজারল্যান্ডের এক নামজাদা সংস্থায় ইন্টার্নশিপ এবং চাকরির সুবর্ণ সুযোগ আসে। তবে তাঁর মনে লুকিয়ে ছিল এক সুপ্ত ইচ্ছা। সেখান থেকেই ইউপিএসসি পরীক্ষায় বসেন।

UPSC-র প্রস্তুতির জন্য সুইৎজারল্যান্ডের চাকরি ছেড়ে দেন
সুইৎজারল্যান্ডের চাকরি ছেড়ে ভারতে ফিরে এসেছিলেন অম্বিকা। তারপর পুরোপুরি ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার প্রস্তুতি মনোনিবেশ করেন। তবে শুরুটা একদম ‘পিকচার পারফেক্ট’ হয়নি। প্রথম অ্যাটেম্পটে মেলেনি কাঙ্খিত সাফল্য। সাফল্য অধরা থেকে যায় দ্বিতীয় অ্যাটেম্পটে। পরপর দু'বার স্বপ্নপূরণ না হলেও ভেঙে পড়েননি। তৃতীয় অ্যাটেম্পটে বাজিমাত করেন অম্বিকা।
মকটেস্টই সাফল্যের পথ তৈরি করে দেয়
আর সেই সাফল্যের ক্ষেত্রে মকটেস্টের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে অম্বিকা জানিয়েছেন। প্রথম দুটি অ্যাটেম্পটের পরে যে পরিবর্তনটা এনেছিলেন, সেটা মকটেস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে। তিনি জানান, প্রথম দু'টি অ্যাটেম্পটে মকটেস্টকে খুব একটা বেশি প্রাধান্য দেননি। কিন্তু দ্বিতীয় অ্যাটেম্পটের পরে উপলব্ধি করেছিলেন যে কেবল বই পড়লেই হবে না। নিজেকে প্রতিনিয়ত যাচাই করতে হবে। দিতে হবে মকটেস্ট।
মকটেস্ট কেন গুরুত্বপূর্ণ? বোঝালেন অম্বিকা নিজেই
সেইমতো মকটেস্ট দেওয়া শুরু করেন অম্বিকা। তাঁর মতে, ‘সঠিকভাবে ও নিয়ম মেনে নিয়মিত মকটেস্ট দিলে ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রায় ৭০ শতাংশ প্রস্তুতি একা মকটেস্টের মাধ্যমেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।’ মকটেস্ট কেবল নেগেটিভ মার্কিং কমাতে সাহায্য করে না, বরং এটি পরীক্ষার ভয় কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। আর তাতে ভর করেই তৃতীয় অ্যাটেম্পটে ইউপিএসসিতে বাজিমাত করেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


