UPSC Success Story: জীবনে কোনও লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই। কেউ কেউ সারাজীবন তাঁদের গন্তব্য খুঁজে বেড়ান, আবার কেউ কেউ তাঁদের নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এত অল্প বয়সেই এমন কিছু করে দেখান যা শুনেই অবাক হতে হয়। আমাদের দেশে ইউপিএসসি (UPSC) অর্থাৎ ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষার যে ভয় ও উন্মাদনা রয়েছে, তা কারও অজানা নয়। কিন্তু হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা মুসকান জিন্দল যেন অন্য ধাতুতে গড়া। মাত্র ২২ বছরেই এই দুর্ভেদ্য ব্যূহ ভেদ করেছেন। হিমাচলের উপত্যকায় বেড়ে ওঠা মুসকান ছোটবেলাতেই স্থির করেছিলেন যে তিনি সিভিল সার্ভিসে যাবেন এবং অফিসার হয়ে দেশের সেবা করবেন। স্নাতক স্তরেও কলেজের টপার হয়েছিলেন।
IAS হওয়ার সুযোগ ছিল, IFS বেছে নেন মুসকান

স্নাতক স্তরের শেষ বছর থেকেই মুসকান তাঁর শৈশবের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন। কলেজের পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিদিন প্রায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ইউপিএসসি প্রস্তুতির জন্য বরাদ্দ রাখতেন।
আরও পড়ুন: UPSC Success Story: কোচিং ছাড়াই প্রথমবারই UPSC ক্র্যাক তরুণীর, কীভাবে ভারতে ১৯ র্যাঙ্ক? দিলেন টিপস
কলেজের পরে তিনি এক বছরের বিরতি নেন এবং তাঁর প্রস্তুতিকে আরও তীব্র করেন। ২০১৯ সালে মুসকান প্রথমবার ইউপিএসসি পরীক্ষা দেন। প্রথমবারেই সাফল্যের পতাকা উড়িয়ে দেন। সারা দেশে তিনি ৮৭তম স্থান অধিকার করেন। আইএএস অফিসার নির্বাচিত হন। যদিও পরে তিনি ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস (আইএফএস) বেছে নেন এবং বিদেশি মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: UPSC Success Story: বয়স ২২, মোটে ১ বছরের প্রস্তুতি, কীভাবে ‘কঠিনতম’ পরীক্ষা পাশ করে IAS হলেন অনন্যা?
মুসকানের সাফল্যের কৌশল কী ছিল?
মুসকান 'সেলফ কন্ট্রোল' অর্থাৎ আত্ম-নিয়ন্ত্রণকে সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি মনে করেন। তাঁর মতে, ইন্টারনেটে পড়াশোনার জন্য চমৎকার এবং অফুরন্ত উপাদান রয়েছে। প্রস্তুতির সময় তিনি তাঁর ফোন সবসময় নিজের কাছেই রাখতেন। কিন্তু তিনি কখনও নিজেকে বিচ্যুত হতে দেননি।
{{/usCountry}}মুসকান 'সেলফ কন্ট্রোল' অর্থাৎ আত্ম-নিয়ন্ত্রণকে সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি মনে করেন। তাঁর মতে, ইন্টারনেটে পড়াশোনার জন্য চমৎকার এবং অফুরন্ত উপাদান রয়েছে। প্রস্তুতির সময় তিনি তাঁর ফোন সবসময় নিজের কাছেই রাখতেন। কিন্তু তিনি কখনও নিজেকে বিচ্যুত হতে দেননি।
{{/usCountry}}কী টিপস মুসকানের?
মুসকানের স্পষ্ট বিশ্বাস যে প্রত্যেক মানুষের উচিত তাঁর অগ্রাধিকার স্থির করা এবং সেই অনুযায়ী নিজের অধ্যয়নসূচি তৈরি করা। শুধু পড়তেই থাকা জরুরি নয়, বরং পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় মানসিক ভারসাম্য এবং নিজের অন্যান্য কাজের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখাও ততটাই জরুরি। এটাই সেই উপায় যা আপনাকে আপনার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হতে দেয় না।