...
...
Next Story

Adani Bribery Case in USA: মার্কিন আদালতে বড় স্বস্তি গৌতম আদানির, ঘুষ ও জালিয়াতির মামলা খারিজ

অভিযোগ ছিল, গৌতম আদানির নেতৃত্বাধীন আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড (AGEL) ভারতে সৌরবিদ্যুৎ বিক্রির বড় চুক্তি পাওয়ার জন্য সরকারি আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল। অন্ধ্রপ্রদেশ-সহ ভারতের একাধিক রাজ্যে সরকারি আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং মন্ত্রীদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল।

Published on: Aug 11, 2026, 10:55:01 IST
Advertisement

Adani Bribery Case in USA: মার্কিন আদালতে বড়সড় স্বস্তি পেলেন শিল্পপতি গৌতম আদানি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ ও জালিয়াতির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে খারিজ করে দিল নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন জেলা আদালত। মার্কিন বিচার দফতর আগেই জানিয়েছিল, তারা এই মামলা আর এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহী নয়। সেই অবস্থানের পর আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে আপাতত স্বস্তি পেলেন আদানি।

অভিযোগ ছিল, গৌতম আদানির নেতৃত্বাধীন আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড (AGEL) ভারতে সৌরবিদ্যুৎ বিক্রির বড় চুক্তি পাওয়ার জন্য সরকারি আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল। (REUTERS)
অভিযোগ ছিল, গৌতম আদানির নেতৃত্বাধীন আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড (AGEL) ভারতে সৌরবিদ্যুৎ বিক্রির বড় চুক্তি পাওয়ার জন্য সরকারি আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল। (REUTERS)

মামলাটির সূত্রপাত ২০২৪ সালের নভেম্বরে। অভিযোগ ছিল, গৌতম আদানির নেতৃত্বাধীন আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড (AGEL) ভারতে সৌরবিদ্যুৎ বিক্রির বড় চুক্তি পাওয়ার জন্য সরকারি আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল। অন্ধ্রপ্রদেশ-সহ ভারতের একাধিক রাজ্যে সরকারি আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং মন্ত্রীদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘুষের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৬.৫ কোটি মার্কিন ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২,০২৯ কোটি টাকা।

শুধু ঘুষ দেওয়ার অভিযোগই নয়, মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন জেলা আদালতে গৌতম আদানি-সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

অবশ্য শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে আদানি গোষ্ঠী। তাঁদের বক্তব্য ছিল, মামলায় যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন এবং তাঁরা আইন মেনেই ব্যবসা করেছেন। মামলার পরবর্তী পর্যায়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে গৌতম আদানি এবং তাঁর ভাইপো সাগর আদানিকে মার্কিন আদালত থেকে সমন পাঠানো হয়। তদন্তে সহযোগিতা করার বার্তাও দেন তাঁরা। কিন্তু এরপরই মামলাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন মোড় আসে।

এরপর আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে সোমবার ব্রুকলিনের জেলা বিচারক নিকোলাস গারাউফিস মামলাটি খারিজের নির্দেশ দেন। ফলে দীর্ঘ আইনি চাপের মধ্যে থাকা আদানি গোষ্ঠীর কাছে এই রায় নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির। আদালতের সিদ্ধান্তের পর সমাজমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান গৌতম আদানি। তিনি বলেন, কঠিন সময়েও বিচারব্যবস্থা, সত্য, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের উপর তাঁর আস্থা অটুট ছিল। এই কঠিন সময়ে যাঁরা তাঁদের উপর বিশ্বাস রেখেছেন, তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। একই সঙ্গে দেশের উন্নয়ন এবং নিজেদের অন্যান্য কাজ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন।

এদিকে মামলা খারিজের পিছনে আদানি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে বিপুল বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছিল। বিশেষ করে ৯৬ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির পরই মামলা খারিজ হয়েছে বলে একটি দাবি সামনে আসে। তবে এই দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই এবং মামলাটি খারিজের সঙ্গে ওই বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির সরাসরি সম্পর্ক থাকার তথ্যও মেলেনি।

ফলে আপাতত মার্কিন আদালতের এই সিদ্ধান্ত আদানি গোষ্ঠীর জন্য বড় আইনি স্বস্তি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তবে মামলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক লেনদেন এবং মার্কিন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলি এখনও শিল্পমহলে আলোচনার বিষয় হয়ে থাকবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe