...
...
Next Story

Russian seaborne oil: জ্বালানি সংকটের মাঝে সুখবর! রাশিয়ার তেলে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বড় ঘোষণা USর, কী বলছে ভারত?

Russian seaborne oil: মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের অধীনে থাকা ‘অফিস অফ ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ জানিয়েছে যে, সমস্ত রুশ তেলবাহী জাহাজ গত ১৭ এপ্রিল বা তার আগে থেকে সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত করা হল।

Published on: May 19, 2026 07:29 PM IST
Advertisement

Russian seaborne oil: রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় পদক্ষেপ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সমুদ্রে ট্রানজিটে থাকা রুশ তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞার বন্ধ রাখার মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়িয়ে দিল মার্কিন প্রশাসন। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের জেরে জ্বালানি সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারত-সহ বেশ কয়েকটি আমদানিকরা দেশ সাময়িকভাবে বড়সড় স্বস্তি পেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

জ্বালানি সংকটের মাঝে সুখবর! (REUTERS)
জ্বালানি সংকটের মাঝে সুখবর! (REUTERS)

যদিও, কোন কোন দেশগুলি ছাড় পাচ্ছে তা এখনও জানানো হয়নি ট্রাম্পের প্রশাসনের থেকে। তবে, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের মতে, এতদিন যে দেশগুলি তেল কেনায় ছাড়পত্র পেয়েছে, সেই দেশগুলিই আবার রুশ তেল কিনতে পারবে। সেই তালিকায় একেবারে প্রথম দিকেই রয়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূ-রাজনীতির জটিল অঙ্কে রাশিয়ার ওপর চাপ বজায় রাখলেও, ভারতের মতো বন্ধু রাষ্ট্রগুলির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদার কথা মাথায় রেখেই বারবার এই ‘ওয়েভার’ বা ছাড়ের মেয়াদ বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যেমন সম্ভব হবে, তেমনই ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলিও বড়সড় অর্থনৈতিক ধাক্কার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

কী বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র?

মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের অধীনে থাকা ‘অফিস অফ ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ জানিয়েছে যে, সমস্ত রুশ তেলবাহী জাহাজ গত ১৭ এপ্রিল বা তার আগে থেকে সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত করা হল। সোমবার এক্স পোস্টে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট লিখেছেন, 'সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলির সুরাহা করার জন্য রুশ তেল কেনার মেয়াদ আরও ৩০ দিন বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এই বর্ধিত সময়সীমা বড় সুরাহা দেবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট লাইসেন্স প্রদানের জন্য আমরা এই দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করব। এই লাইসেন্সটি অপরিশোধিত তেলের বাজারকে চাঙ্গা করতে এবং জ্বালানি সংকটে থাকা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে তেল পৌঁছানো নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।'

রুশ তেলের উপর ভারতের নির্ভরশীলতা

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণার পরপরই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে, রাশিয়া থেকে তেল আমদানির সিদ্ধান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বা ছাড়ের ওপর নির্ভর করে না। বরং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সোমবার পেট্রোলিয়াম ও গ্যাস মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা বলেন, আগেও ভারত রাশিয়ার তেল আমদানি করেছে, এখনও করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে- এতে কোনও পরিবর্তন আসবে না। দেশের মানুষের স্বার্থে, প্রয়োজন এবং চাহিদার কথা মাথায় রেখে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি চলবে। গোটা বিষয়টিই উৎপাদন, সহজলভ্যতা, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশেষ করে গোটা বিশ্বের জ্বালানি সংকটের দিকে খেয়াল রেখেই বিবেচনা করা হবে।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe