ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন শিল্পে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত খুলে দিল ভারত ফোর্জ। সংস্থার প্রতিরক্ষা শাখা কল্যাণী স্ট্র্যাটেজিক সিস্টেমস লিমিটেড (KSSL) মার্কিন প্রতিরক্ষা ও সামরিক যান নির্মাতা সংস্থা এএম জেনারেলের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক মাউন্টেড আর্টিলারি বা কামান ব্যবস্থা তৈরি ও বাজারজাত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ফ্রান্সের প্যারিসে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী ‘ইউরোসেটরি ২০২৬’-এ এই চুক্তির ঘোষণা করা হয়। দুই সংস্থার লক্ষ্য হল নিজেদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উৎপাদন ক্ষমতাকে একত্রিত করে এমন আধুনিক কামান ব্যবস্থা তৈরি করা, যা বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রের দ্রুত পরিবর্তিত চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে।
বর্তমান সময়ে যুদ্ধের কৌশলে দ্রুত মোতায়েনযোগ্য, অধিক গতিশীল এবং নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম আর্টিলারি সিস্টেমের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। সেই প্রয়োজন মাথায় রেখেই ভারত ফোর্জ ও এএম জেনারেলে যৌথভাবে উন্নত প্রযুক্তির কামান ব্যবস্থা তৈরি করবে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে হালকা, দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং সহজে পরিবহণযোগ্য অস্ত্র ব্যবস্থার চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে। এই অংশীদারিত্ব সেই চাহিদা পূরণের দিকেই একটি বড় পদক্ষেপ।
ভারত ফোর্জের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর বাবা কল্যাণীর নেতৃত্বে সংস্থাটি গত কয়েক বছরে ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ATAGS কামান, MArG সিরিজের ট্রাক-মাউন্টেড আর্টিলারি সিস্টেম এবং বিভিন্ন প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে। সম্প্রতি ইউরোসেটরিতেই KSSL তাদের নতুন প্রজন্মের আর্টিলারি ব্যবস্থা এবং সাঁজোয়া যানও প্রদর্শন করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এএম জেনারেলের সঙ্গে এই চুক্তি শুধু একটি ব্যবসায়িক সমঝোতা নয়, বরং ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতারও প্রতিফলন। এর ফলে ভারতীয় প্রযুক্তি ও উৎপাদন দক্ষতা আরও বেশি করে বিশ্ববাজারে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যে দেশের প্রতিরক্ষা রপ্তানি বৃদ্ধিতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
{{/usCountry}}বিশেষজ্ঞদের মতে, এএম জেনারেলের সঙ্গে এই চুক্তি শুধু একটি ব্যবসায়িক সমঝোতা নয়, বরং ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতারও প্রতিফলন। এর ফলে ভারতীয় প্রযুক্তি ও উৎপাদন দক্ষতা আরও বেশি করে বিশ্ববাজারে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যে দেশের প্রতিরক্ষা রপ্তানি বৃদ্ধিতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
{{/usCountry}}