US National detained in India: আরও এক ২২ এপ্রিল আসতে চলেছে। ২০২৫ সালে এই ২ এপ্রিলের অভিশপ্ত দুপুরে রক্তাক্ত হয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও। সন্ত্রাসী সেই হামলার এক বছর হতে চলেছে আর কয়েকদিন পরই। যার জেরে, গোটা কাশ্মীর জুড়ে আটোসাঁটো বন্দোবস্ত। এদিকে, তারই মাঝে কাশ্মীরের শ্রীনগর বিমানবন্দরে আটক হয়েছেন একজন মার্কিনি। বিভিনন্ন মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে, মূলত, ২ জন আটক হয়েছেন। জানা যাচ্ছে, আটকদের মধ্যে একজন মার্কিনি রয়েছেন।

জানা গিয়েছে, শ্রীনগর বিমানবন্দরে যে ২ জনকে আটক করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে একজন জেফ্রি স্কট। অপরজনের নাম কৌশিক হালদার। তথ্য বলছে, মার্কিন নাগরিকের ব্যাগে স্যাটেলাইট ফোন মিলতেই তাঁকে আটক করা হয়। আটক করার পরই তাঁদের স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আপাতত তাঁদের জেরা চলছে। এনডিটিভির রিপোর্ট বলছে, ধৃতদের মধ্যে একজন কলকাতার বাসিন্দা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য সঠিকভাবে সামনে আসছে না।
এদিকে, ২০ থেকে ২৪ তারিখ কাশ্মীরের পুঞ্চে চলবে সিভিল ডিফেন্স এয়ার রেড ও ব্ল্যাক আউট মহড়া। এপ্রিলের ২০ -২৪ তারিখ চলা এই মহড়া ঘিরে কাশ্মীরের পুঞ্চে প্রস্তুতি তুঙ্গে। তারই আগে, শ্রীনগরে এই স্যাটেলাইট ফোন সহ মার্কিনি নাগরিকের আটক হওয়ার ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতে সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। ভারতে, বিশেষ কিছু ডিভাইস কঠোর নিয়ন্ত্রণের অধীন, এবং অননুমোদিতভাবে এগুলি নিজের কাছে রাখলে ভারতীয় টেলিগ্রাফ আইন এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বিধি অনুসারে আটক, গ্রেফতার এবং বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, দেশে স্যাটেলাইট যোগাযোগ ডিভাইস বহন বা ব্যবহার করার আগে ভ্রমণকারীদের অবশ্যই টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারত কঠোর টেলিযোগাযোগ বিধিনিষেধ আরোপ করে এবং অতীতে স্যাটেলাইট কমিউনিকেটর বহন করার জন্য বিদেশী নাগরিক ও ভারতীয় নাগরিক উভয়কেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এর আগে, মায়ানমারে সামরিক জুন্তা-বিরোধী বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য, ৬ জন ইউক্রেনিয়কে গ্রেফতার করা হয়। এনআইএর জালে ধরা পড়েন এক মার্কিনি নাগরিকও।
{{/usCountry}}সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, দেশে স্যাটেলাইট যোগাযোগ ডিভাইস বহন বা ব্যবহার করার আগে ভ্রমণকারীদের অবশ্যই টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারত কঠোর টেলিযোগাযোগ বিধিনিষেধ আরোপ করে এবং অতীতে স্যাটেলাইট কমিউনিকেটর বহন করার জন্য বিদেশী নাগরিক ও ভারতীয় নাগরিক উভয়কেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এর আগে, মায়ানমারে সামরিক জুন্তা-বিরোধী বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য, ৬ জন ইউক্রেনিয়কে গ্রেফতার করা হয়। এনআইএর জালে ধরা পড়েন এক মার্কিনি নাগরিকও।
{{/usCountry}}