US Navy Secretary: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করার ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে হরমুজ প্রণালীতে সংঘাত এখনও বজায় রয়েছে। উল্লেখ্য, মার্কিন বাহিনী হরমুজ অবরোধ করে রেখেছে। ইরানও হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এই আবহে ভারতগামী একটি জাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে ইরানি বাহিনী। এই পরিস্থিতিতে এবার তাড়াহুড়ো করে মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবকে পদ থেকে সরিয়ে দিলেন আমেরিকার যুদ্ধ সচিব পিট হেগসেথ।

হাং কাওকে ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী সচিব হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে পার্নেল লিখেছেন, 'নৌবাহিনীর সচিব জন সি ফেলান প্রশাসন থেকে পদত্যাগ করছেন, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে। মার্কিন নৌবাহিনীতে সেবার জন্য তাঁর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।' এর আগে গত ২ এপ্রিল কোনও কারণ না দেখিয়ে মার্কিন সেনাপ্রধান ব়্যান্ডি জর্জকে পদ থেকে সরিয়েছিলেন হেগসেথ।
হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় পতাকাবাহী দুটি জাহাজ লক্ষ্য করে সম্প্রতি গুলি ছুড়েছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। এদিকে ভারতগামী একটি জাহাজ আবার বাজেয়াপ্ত করে নেয় আইআরজিসি। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহ কার্যত থমকে আছে ইরান যুদ্ধের আবহে। এখনও পর্যন্ত ২০টিরও বেশি জাহাজে হামলা হয়েছে এই অঞ্চলে। তবে ভারতের বেশ কয়েকটি ট্যাঙ্কার নিরাপদে পাড়ি দিয়েছে হরমুজ প্রণালী। পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া ভারতীয় জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিয়ে আসতে ইরানের সঙ্গে কথা হয়েছিল ভারতের। তবে হরমুজ প্রণালীতে এখনও আটকে বিভিন্ন দেশের বহু ট্যাঙ্কার এবং জাহাজ। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী নিয়ে বারংবার নাক কাটছে আমেরিকার।
হরমুজ প্রণালী আদতে কী? পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরকে যুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালী। তার ফলে ইরান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো পারস্য উপসাগর লাগোয়া বিশ্বের অন্যতম তৈল উৎপাদনকারী দেশগুলি তেল সরবরাহের জন্য হরমুজ প্রণালীর উপরে নির্ভর করে। হরমুজ প্রণালী খুব চওড়া নয়। সংকীর্ণতম বিন্দুতে মাত্র ৩৩ কিমি চওড়া। ফলে সেই প্রণালী অবরোধ করে রাখা সহজ।
{{/usCountry}}হরমুজ প্রণালী আদতে কী? পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরকে যুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালী। তার ফলে ইরান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো পারস্য উপসাগর লাগোয়া বিশ্বের অন্যতম তৈল উৎপাদনকারী দেশগুলি তেল সরবরাহের জন্য হরমুজ প্রণালীর উপরে নির্ভর করে। হরমুজ প্রণালী খুব চওড়া নয়। সংকীর্ণতম বিন্দুতে মাত্র ৩৩ কিমি চওড়া। ফলে সেই প্রণালী অবরোধ করে রাখা সহজ।
{{/usCountry}}২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে প্রাথমিক ভাবে ১০ মার্চ পর্যন্ত ৯টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছিল ইরান। এই ৯টি জাহাজেই ভারতীয় ক্রু ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর ১১ মার্চ কার্গো জাহাজে হামলার সংখ্যা বাড়িয়ে দেয় ইরান। গভীর রাতে অন্তত ৫-৬টি জাহাজে হামলা চালায় তারা। পরে গত ১৮ মার্চ রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলে একটি জাহাজে ফের হামলা চালিয়েছিল ইরান। এখনও পর্যন্ত ওমানের খসব বন্দরে এমটি স্কাইলাইট নামক তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার জেরে প্রাণ হারিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন আশিস কুমার এবং অয়লার পদে থাকা দিলীপ সিং। এদিকে ওমানের মাস্কাটের থেকে ৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে থাকা এমকেডি ব্যোম নামক ট্যাঙ্কারে হামলা করা হলে প্রাণ হারান অয়লার দিক্ষীত অমৃতলাল সোলাঙ্কি। ইরাকের জলসীমায় সেফ-সি বিষ্ণু নামক মার্কিন জাহাজে প্রাণ হারান দেবানন্দন প্রসাদ সিং।