রাশিয়ার তেল কিনলে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসবে, এই মর্মে যে বিল মার্কিন কংগ্রেসে সদ্য পাশ হয়েছে, তাতে স্বাক্ষর করে সেই বিলকে অনুমোদন দিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বিল কার্যকর হতেই রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে ১০০ শতাংশ শুল্কের কোপ পড়ল ভারত, চিনের মতো দেশে। উল্লেখ্য, সামনেই রয়েছে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংর সঙ্গে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাক্ষাৎ। তার আগে, এই মার্কিনি পদক্ষেপ রীতিমতো তাৎপর্যপূর্ণ। এদিকে, রাশিয়ার তেলের ওপর শুল্ক কোপের সম্ভাবনা জাগতেই, হালকা হুঁশিয়ারর সুর শোনা গিয়েছে মস্কোর তরফেও।

সদ্য মার্কিন কংগ্রেসে রাশিয়ার তেল কেনা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ শুল্ক বিল পাশ হতেই রাশিয়া সুর চড়া করে। ক্রেমলিন সাফ বলে, 'আমরা অবশ্যই এই নথিটির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছি। এটি বৈরী পদক্ষেপের আওতায় পড়ে এবং অবশ্যই, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেকোনো অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ ইউক্রেনে একটি শান্তি চুক্তি খুঁজে বের করার প্রচেষ্টাকে নিশ্চিতভাবে আরও জটিল করে তুলবে।' ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধরত রাশিয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকার এই পদক্ষেপ ঘিরে তেলের বাজারে দামে কী প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন দেশ। ভারত এই সম্পর্কে আগেই মুখ খুলেছে। রাশিয়ার তেলে মার্কিনি শুল্কের কোপের সম্ভাবনা নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাশ হতেই দিল্লি সাফ জানিয়েছিল, গত কয়েক মাসে বিষয়টি নিয়ে আমেরিকার বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভারতের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনায় ভারত পরিষ্কার ভাবে জানিয়েছে, রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনার উপর কোনও নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হলে তার প্রভাব শুধু ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে বলে নয়াদিল্লির বক্তব্য। দিল্লি স্পষ্টভাবে বলেছে, ‘এর আগেও একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জ্বালানি সংগ্রহের উৎস বহুমুখী করার মাধ্যমে এবং বাজারের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ভারত এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।'
এই পরিস্থিতিতে ভারত- আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি কোনপথে হাঁটে, সেদিকে যেমন নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের, তেমনই দেশের বাজারে তেলের দাম নিয়েও রয়েছে জল্পনা, উদ্বেগ। এর আগে, বুধবার, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ২৬২-১৫৯ ভোটে আইনটি পাস করেছে, এর আগে মার্কিন সেনেট এটি অনুমোদন করেছিল।
{{/usCountry}}এই পরিস্থিতিতে ভারত- আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি কোনপথে হাঁটে, সেদিকে যেমন নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের, তেমনই দেশের বাজারে তেলের দাম নিয়েও রয়েছে জল্পনা, উদ্বেগ। এর আগে, বুধবার, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ২৬২-১৫৯ ভোটে আইনটি পাস করেছে, এর আগে মার্কিন সেনেট এটি অনুমোদন করেছিল।
{{/usCountry}}