ভারতের হায়দরাবাদে তাঁর নামে একটি রাস্তার নামকরণ হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই ধরনের সম্মান প্রথমবার পেয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এই প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

সম্প্রতি তেলঙ্গানা সরকার হায়দরাবাদের মার্কিন কনস্যুলেট সংলগ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম পরিবর্তন করে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’ রাখে। রাস্তার উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন তেলঙ্গানার উপমুখ্যমন্ত্রী মল্লু ভট্টি বিক্রমার্কা এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। সেই অনুষ্ঠানের একটি ছবি ট্রুথ সোশ্যালে শেয়ার করে ট্রাম্প লেখেন, 'হায়দরাবাদ, ভারতের নতুন ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ। কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই সম্মান প্রথমবার পেলাম। ধন্যবাদ।'
নতুন নামকরণ হওয়া এই রাস্তার বিশেষ গুরুত্বও রয়েছে। এটি শুধু মার্কিন কনস্যুলেটের পাশেই নয়, বিশ্বের প্রথম সারির একাধিক মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থা— মাইক্রোসফট, গুগল এবং অ্যামাজনের গুরুত্বপূর্ণ অফিসের কাছেও অবস্থিত। ফলে প্রতিদিন বহু দেশি-বিদেশি নাগরিক এই রাস্তা ব্যবহার করেন। তেলঙ্গানা সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই নামকরণ কোনও ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়। বরং এটি ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গভীরতার প্রতীক এবং আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে হায়দরাবাদের গুরুত্বের স্বীকৃতি। সরকারের মতে, গত কয়েক বছরে হায়দরাবাদ মার্কিন সংস্থাগুলির অন্যতম প্রধান বিনিয়োগ গন্তব্য হয়ে উঠেছে। সেই প্রেক্ষিতেই দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার স্মারক হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, তথ্যপ্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বিনিয়োগের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারিত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। হায়দরাবাদে ট্রাম্পের নামে রাস্তার নামকরণ সেই সম্পর্কেরই একটি প্রতীকী দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্পের প্রকাশ্য ধন্যবাদবার্তা এই ঘটনাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ধরনের প্রতীকী উদ্যোগ ভবিষ্যতে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা বহন করতে পারে।
{{/usCountry}}বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, তথ্যপ্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বিনিয়োগের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারিত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। হায়দরাবাদে ট্রাম্পের নামে রাস্তার নামকরণ সেই সম্পর্কেরই একটি প্রতীকী দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্পের প্রকাশ্য ধন্যবাদবার্তা এই ঘটনাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ধরনের প্রতীকী উদ্যোগ ভবিষ্যতে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা বহন করতে পারে।
{{/usCountry}}