ভারতের চারটি সংস্থার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থ মন্ত্রকের (ইউএস ট্রেজারি) অধীনস্থ অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (OFAC) তাদের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা তালিকা বা স্পেশালি ডিজাইনেটেড ন্যাশনালস (SDN) লিস্ট থেকে চার ভারতীয় সংস্থার নাম সরিয়ে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেনে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করা হচ্ছে।

যে চারটি সংস্থার নাম নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেগুলি হল হায়দরাবাদের আরআরজি ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজিস প্রাইভেট লিমিটেড এবং লোকেশ মেশিনস লিমিটেড, আহমেদাবাদের গ্যালাক্সি বিয়ারিংস লিমিটেড এবং দিল্লির শৌর্য অ্যারোনটিক্স প্রাইভেট লিমিটেড।
এর আগে এই সংস্থাগুলিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এক্সিকিউটিভ অর্ডার ১৪০২৪-এর আওতায় নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। ওই নির্দেশ মূলত রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্দেশ্যে জারি করা হয়েছিল। তবে সর্বশেষ পর্যালোচনার পর চার ভারতীয় সংস্থার নাম ওই তালিকা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রক জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ট্রেড স্যাংশনস রিফর্ম অ্যান্ড এক্সপোর্ট এনহ্যান্সমেন্ট অ্যাক্ট (TSRA)-এর আওতায় লাইসেন্স সংক্রান্ত কার্যকলাপের ত্রৈমাসিক রিপোর্ট প্রকাশের পাশাপাশি এসডিএন তালিকাও হালনাগাদ করা হয়েছে। সেই প্রক্রিয়াতেই কয়েকটি ব্যক্তি ও সংস্থার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং নতুন কয়েকটি নাম যুক্ত করা হয়েছে।
এই আপডেটে মূলত মেক্সিকোর মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একইসঙ্গে চার ভারতীয় সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট ভারতীয় সংস্থাগুলির আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন, রপ্তানি কার্যক্রম এবং বিদেশি ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ভারত-মার্কিন বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই পদক্ষেপ ইতিবাচক বার্তা বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}এই আপডেটে মূলত মেক্সিকোর মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একইসঙ্গে চার ভারতীয় সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট ভারতীয় সংস্থাগুলির আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন, রপ্তানি কার্যক্রম এবং বিদেশি ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ভারত-মার্কিন বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই পদক্ষেপ ইতিবাচক বার্তা বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}