মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই অবৈধ আখ্যা দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শুল্ক বাতিল করেছে। এই আবহে আমদানি শুল্ক গ্রহণ বন্ধ করে দেবে মার্কিন কাস্টমস। ২৪ ফেব্রুয়ারি মার্কিন পূর্ব সময় ভোররাত ১২টা ১ মিনিট থেকে এই শুল্ক সংগ্রহ বন্ধ করবে মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দিয়ে মার্কিন সর্বোচ্চ আদালত ট্রাম্পের শুল্ক বাতিল করেছিল। তবে মার্কিন কাস্টমস বিভাগ তাদের কার্গো ব্যবস্থাপনায় বদল আনতে পারেনি এতদিনেও। তাই শুল্ক বাতিলের নির্দেশ এলেও এতদিন শুল্ক দিয়ে যেতে হচ্ছিল আমদানিকারকদের।
এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের পারস্পরিক শুল্ক নীতি আদতে বেআইনি। এবং এতদিন ধরে এই নীতিতে যত কর সংগ্রহ করা হয়েছে, তা ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেয় আদালত। আর সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের মাত্র ২৪ ঘণ্টা পরই বৈশ্বিক শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে মার্কিন কংগ্রেসকে এড়িয়ে নিজের সিদ্ধান্ত বিভিন্ন দেশের ওপর বিভিন্ন বারে শুল্ক চাপিয়েছিলেন। তবে জরুরি ক্ষমতার অধীনে ট্রাম্পের এই শুল্ক আরোপের পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছে মার্কিন শীর্ষ আদালত। এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প আদালতের এই সিদ্ধান্তকে 'হাস্যকর, দুর্বলভাবে লেখা এবং আমেরিকা বিরোধী' বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে রায় দেওয়া বিচারকদেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। একই সময়ে, তাঁর শুল্ক নীতির পক্ষে মত দেওয়া তিন বিচারপতির (ব্রেট কাভানা, ক্লারেন্স থমাস এবং স্যামুয়েল আলিটো) প্রশংসা করেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৭ সালের 'আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা' আইনের (আইইইপিএ) অধীনে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক চাপিয়েছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি এই আইনের বলে একতরফা ভাবে শুল্ক আরোপ করতে পারেন না। এই সিদ্ধান্তের অর্থ হল ভারত সহ অনেক দেশের উপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক আগের মতোই প্রায় ৩.৫ শতাংশে এ ফিরিয়ে আনতে হবে। যদিও ট্রাম্প ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে কংগ্রেসকে এড়িয়ে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের জন্য একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। আর একদিন যেতে না যেতেই সেই শুল্কের হার বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেছেন তিনি।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, ১৯৭৭ সালের 'আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা' আইনের (আইইইপিএ) অধীনে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক চাপিয়েছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি এই আইনের বলে একতরফা ভাবে শুল্ক আরোপ করতে পারেন না। এই সিদ্ধান্তের অর্থ হল ভারত সহ অনেক দেশের উপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক আগের মতোই প্রায় ৩.৫ শতাংশে এ ফিরিয়ে আনতে হবে। যদিও ট্রাম্প ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে কংগ্রেসকে এড়িয়ে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের জন্য একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। আর একদিন যেতে না যেতেই সেই শুল্কের হার বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেছেন তিনি।
{{/usCountry}}