...
...
Next Story

US Treasury Secretary on India & China: চিনের চাপে হঠাৎ ভারতের কথা মনে পড়ল মার্কিন অর্থসচিবের, চাইলেন সাহায্য

স্কট বলেছেন, 'বিরল খনিজ পদার্থ (রেয়ার আর্থ) নিয়ে চিনের নতুন রফতানি নিয়ন্ত্রণের জেরে যে প্রভাব পড়বে, তার সঙ্গে ওয়াশিংটন লড়াই করছে। আমেরিকা আশা করে ভারত ও ইউরোপের কাছ থেকে এই আবহে সমর্থন পাব আমরা।'

Published on: Oct 16, 2025, 07:53:52 IST
Advertisement

বিগত দিনে ভারতকে বারংবার অপমান করে এসেছিলেন মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট। রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারতকে নানা ভাবে আক্রমণ শানিয়ে এসেছিলেন এই বেসেন্ট। আর এখন চিনের চাপে সেই ভারতেরই কথা মনে পড়ল বেসেন্টের। ট্রাম্প প্রশাসনের সচিব এখন ভারতের থেকে 'সাহায্য' পাওয়ার আশায় তাকিয়ে আছেন। স্কট বলেছেন, 'বিরল খনিজ পদার্থ (রেয়ার আর্থ) নিয়ে চিনের নতুন রফতানি নিয়ন্ত্রণের জেরে যে প্রভাব পড়বে, তার সঙ্গে ওয়াশিংটন লড়াই করছে। আমেরিকা আশা করে ভারত ও ইউরোপের কাছ থেকে এই আবহে সমর্থন পাব আমরা।' তিনি দাবি করেন, ভারত এবং এশিয়ার অন্যান্য গণতন্ত্রগুলিকে নিয়ে আমেরিকা চিনকে কড়া জবাব দেবে।

চিনের চাপে হঠাৎ ভারতের কথা মনে পড়ল মার্কিন অর্থসচিবের, চাইলেন সাহায্য (REUTERS)
চিনের চাপে হঠাৎ ভারতের কথা মনে পড়ল মার্কিন অর্থসচিবের, চাইলেন সাহায্য (REUTERS)

এর আগে সম্প্রতি চিনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রেয়ার আর্থ নিয়ে ব্যাপক নতুন বিধিনিষেধের ঘোষণা করেছিল। এর জেরে বিদেশি সামরিক বাহিনীর সাথে যুক্ত সংস্থাগুলিকে রেয়ার আর্থ সরবরাহ বন্ধ করবে। এই খাতে চিনের আধিপত্যের কারণে এখন মাথায় হাত আমেরিকার। এই বিধিনিষেধের জেরে এফ-৩৫ ফাইটার জেট, উন্নত সাবমেরিন এবং দূরপাল্লার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে গিয়ে চাপে পড়বে আমেরিকা। এই আবহে বেসেন্ট বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যে আমাদের বন্ধুরাষ্ট্রগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমরা এই সপ্তাহে তাদের সাথে বৈঠক করব। আমি আশা করি যে আমরা ইউরোপীয়দের কাছ থেকে, ভারতীয়দের কাছ থেকে এবং এশিয়ার গণতন্ত্রগুলির কাছ থেকে এই নিয়ে যথেষ্ট সমর্থন পাব।'

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১০ অক্টোবর চিনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ১০০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেন। ট্রাম্প সরকারের এই পদক্ষেপটি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। বর্তমানে চিনা পণ্যের ওপর যে শুল্ক ধার্য করা আছে, তার ওপরে এই ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপতে চলেছে। অর্থাৎ, চিনের বিরুদ্ধে আমেরিকার শুল্কের হার এখন ১৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। জানা গিয়েছে, বিরল খনিজ রফতানির ওপর চিন নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে চাইছিল। এর জেরেই ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিনের বিরুদ্ধে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe