ইরান যুদ্ধে মোতায়েন যুদ্ধবিমানবাহীন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে মিসাইল হামলার দাবি করল আইআরজিসি। যদিও সেই দাবি খারিজ করেছে আমেরিকা। এদিকে আমেরিকার অপর একটি যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে সম্প্রতি একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যা ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এই নিয়ে মার্কিন সেনা জানিয়েছে, লন্ড্রির থেকে আগুন লেগেছিল। এর জেরে ২ নাবিক আহত হয়েছেন। তবে কারও আঘাতই গুরুতর নয়। এদিকে এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে জাহাজের বড় কোনও ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে এর আগে এই জেরাল্ড আর ফোর্ডে শৌচালয় জাম হয়ে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কোনও নাবিকের কাণ্ডেই সেই ঘটনা ঘটেছিল। উল্লেখ্য, এই বিমানবাহী রণতরীটি বিশ্বের বৃহত্তম। এদিকে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইরানের মিসাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেটিক আমেরিকা সরিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। তবে আমেরিকা দাবি করল, এমন কিছুই ঘটেনি। ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এখনও অপারেশন এপিক ফিউরিতে মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাতের মধ্যে আরও একটি বিমান হারাল মার্কিন বাহিনী। ভেঙে পড়া বিমানটি 'কেসি-১৩৫'। বিমানটি আকাশে অন্য বিমানে জ্বালানি ভরার সময় ভেঙে পড়ে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে তারা জানিয়েছে, কোনও গুলি লেগে বিমানটি ভেঙে পড়েনি। এর আগে বন্ধুরাষ্ট্রের গুলিতে তিনটি যুদ্ধবিমান হারিয়েছিল আমেরিকা। কুয়েতে আমেরিকার তিনটি এফ১৬ যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছিল। এহেন পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধ চলাকালীন, এই নিয়ে ৪টি বিমান 'দুর্ঘটনায়' হারাল আমেরিকা।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের একযোগে ইরানের ওপর হামলার পর থেকে পুরো অঞ্চলটি যুদ্ধের আগুনে পুড়ে চলেছে। এই সংঘর্ষে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রতিনিয়ত জানমালের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে। সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৭ জন আমেরিকান সৈন্য প্রাণ হারিয়েছেন। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, এই যুদ্ধে প্রায় ১৫০ আমেরিকান সৈন্য আহত হয়েছে। সৌদি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকার কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের রাডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এর জেরে সৌদি সহ বহু দেশ থেকে মার্কিনিদের সরিয়ে নিতে হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনকে। এছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমেরিকাকে 'এক ফোঁটা' তেলও নিতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়ে রেখেছে ইরান। এখনও পর্যন্ত অন্তত ২০টি তেলের ট্যাঙ্কার ধ্বংস করেছে তারা।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের একযোগে ইরানের ওপর হামলার পর থেকে পুরো অঞ্চলটি যুদ্ধের আগুনে পুড়ে চলেছে। এই সংঘর্ষে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রতিনিয়ত জানমালের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে। সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৭ জন আমেরিকান সৈন্য প্রাণ হারিয়েছেন। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, এই যুদ্ধে প্রায় ১৫০ আমেরিকান সৈন্য আহত হয়েছে। সৌদি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকার কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের রাডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এর জেরে সৌদি সহ বহু দেশ থেকে মার্কিনিদের সরিয়ে নিতে হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনকে। এছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমেরিকাকে 'এক ফোঁটা' তেলও নিতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়ে রেখেছে ইরান। এখনও পর্যন্ত অন্তত ২০টি তেলের ট্যাঙ্কার ধ্বংস করেছে তারা।
{{/usCountry}}