উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে পিপালকোটি এলাকায় এক টানেলে ধসের জেরে একাধিকজন আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, জানা গিয়েছে, টানেরে ভিতর জল ও কিছু ধ্বংসাবশেষ ঢুকে গিয়ে এমন দুর্ঘটনা ঘটে যায়। দুর্ঘটনার সময় বহু শ্রমিক টানেলের ভিতরে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ।

জানা গিয়েছে, এলাকায় টিএইচডিসি ইন্ডিয়া টানেলের নির্মাণ কাজ চলছিল সেখানে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ১৬ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি তিনজনকে উদ্ধারের জন্য তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছে। পুলিশের তথ্যমতে, সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটের দিকে ঘটনাটি ঘটে। তখন সুড়ঙ্গের ভেতরে প্রায় ১৯ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। হঠাৎ জল ও ধ্বংসস্তূপের প্রবল স্রোত এসে সেখানে কর্মরত শ্রমিকদের আটকে ফেলে। আটকে পড়া কর্মীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য স্থানীয় দুর্যোগ মোকাবিলা কর্মীসহ জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলোকে অবিলম্বে মোতায়েন করা হয়েছিল। টিএইচডিসি টানেলের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ‘ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে’, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স এবং স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স-এর দলগুলোকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনসহ সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান যে, তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক সব তথ্য পাচ্ছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকা পড়া প্রত্যেককে নিরাপদে উদ্ধার করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এই অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় সব সম্পদ ও জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। ধামি কর্মকর্তাদের এও নির্দেশ দেন যে, উদ্ধারকাজে যেন কোনো শৈথিল্য না থাকে এবং ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন বিভাগের সচিব বিনোদ কুমার সুমন জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে এবং ত্রাণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান যে, তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক সব তথ্য পাচ্ছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকা পড়া প্রত্যেককে নিরাপদে উদ্ধার করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এই অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় সব সম্পদ ও জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। ধামি কর্মকর্তাদের এও নির্দেশ দেন যে, উদ্ধারকাজে যেন কোনো শৈথিল্য না থাকে এবং ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন বিভাগের সচিব বিনোদ কুমার সুমন জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে এবং ত্রাণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}