Vaibhav Sooryavanshi Duleep Trophy Record: কোয়ার্টার ফাইনালে ব্যর্থতার সমস্ত গ্লানি এক লহমায় ধুয়ে মুছে দিলেন ১৫ বছরের বিস্ময় বালক বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। দলীপ ট্রফির সেমিফাইনালে ইস্ট জোনের হয়ে সেন্ট্রাল জোনের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ঝড় তুলে মাত্র ৮১ বলে ৯২ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেললেন ভারতের এই তরুণ ব্যাটার। আর এই ইনিংসের পথেই কনিষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে অর্ধশতরান করে দলীপ ট্রফির (Duleep Trophy) দীর্ঘ ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে এই খুদে বাঁহাতি ওপেনার।

রবিবার ম্যাচের প্রথম দিনেও আলোচনায় ছিলেন বৈভব সূর্যবংশী। ঈশান কিশানের অনুপস্থিতিতে কয়েক ওভার ইস্ট জোনের অধিনায়কত্বও করেন তিনি। অভিষেক ম্যাচের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সোমবার ব্যাট হাতে শুরু থেকেই চরম আগ্রাসী মেজাজে জ্বলে ওঠেন বৈভব। মাত্র ৪২ বলে তিনটি ছক্কা ও পাঁচটি চার হাঁকিয়ে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন বৈভব। ১৫ বছর ১৭৫ দিন বয়সে এই কীর্তি গড়ে দলীপ ট্রফির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে হাফ-সেঞ্চুরি করার রেকর্ড তৈরি করলেন তিনি। একই সঙ্গে ভেঙে দিয়েছেন ১৯৬৯ সালে লক্ষ্মণ সিং-এর করা ১৬ বছর ২৩ দিনের অর্ধশতরানের ৫৭ বছরের পুরনো রেকর্ড। যদিও মাত্র ৮ রানের জন্য দলীপের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ শতরানকারীর স্থানটি হাতছাড়া হওয়ায় কিছুটা হতাশ দেখায় তাঁকে। হর্ষ দুবের বলে আউট হওয়ার আগে তাঁর ৯২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ছিল ৭টি দৃষ্টিনন্দন চার ও ৭টি প্রকাণ্ড ছক্কা। তবে প্রথম ইনিংস বা সম্ভাব্য ফাইনালে সেঞ্চুরির সেই সুযোগ এখনও তাঁর সামনে খোলা রয়েছে।
এর আগে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সেন্ট্রাল জোনকে ২৬৬ রানেই গুটিয়ে দেয় ইস্ট জোনের বোলাররা। সেন্ট্রাল জোনের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন রিঙ্কু সিং। কোয়ার্টার ফাইনালে শান্ত থাকা মহম্মদ শামি পান ২ উইকেট। এছাড়া মুকেশ কুমার ও অভিজিৎ সরকার ৩টি করে এবং মহম্মদ কুরেশি ২টি উইকেট নেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বৈভবের ঝড়ো সূচনার উপর ভর করে চালকের আসনে ইস্ট জোন। বৈভবের ইনিংসের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল অভিমন্যু ঈশ্বরণের সঙ্গে তাঁর ১৬২ রানের ওপেনিং জুটি। এই জুটির সৌজন্যেই ইস্ট জোন বড় রানের ভিত তৈরি করে ফেলে। দলীপ ট্রফিতে অভিষেক ম্যাচে মাত্র আট রান করে হতাশ করা বৈভব এদিন ব্যাট হাতে অনেক বেশি পরিণত ও নিয়ন্ত্রিত ক্রিকেট উপহার দেন। সেঞ্চুরি করতে পারলে আরও একটি বড় রেকর্ড গড়ার সুযোগ ছিল তাঁর সামনে। দলীপ ট্রফির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে শতরান করার নজির রয়েছে শচীন তেণ্ডুলকরের। ১৯৯০-৯১ মরশুমে ১৭ বছর ২৬২ দিন বয়সে শতরান করেছিলেন শচীন। সেই রেকর্ড ভাঙতে বৈভবের প্রয়োজন ছিল আরও আট রান। কিন্তু হর্ষ দুবের বলে আউট হয়ে সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়। তবে সেঞ্চুরি না পেলেও ৯২ রানের ইনিংসেই একাধিক নজির গড়ে ফেলেছেন বৈভব। তাঁর কেরিয়ারে এটি নব্বইয়ের ঘরে থামা সপ্তম ইনিংস। এর পাশাপাশি রয়েছে ১১টি শতরান।
{{/usCountry}}এর আগে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সেন্ট্রাল জোনকে ২৬৬ রানেই গুটিয়ে দেয় ইস্ট জোনের বোলাররা। সেন্ট্রাল জোনের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন রিঙ্কু সিং। কোয়ার্টার ফাইনালে শান্ত থাকা মহম্মদ শামি পান ২ উইকেট। এছাড়া মুকেশ কুমার ও অভিজিৎ সরকার ৩টি করে এবং মহম্মদ কুরেশি ২টি উইকেট নেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বৈভবের ঝড়ো সূচনার উপর ভর করে চালকের আসনে ইস্ট জোন। বৈভবের ইনিংসের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল অভিমন্যু ঈশ্বরণের সঙ্গে তাঁর ১৬২ রানের ওপেনিং জুটি। এই জুটির সৌজন্যেই ইস্ট জোন বড় রানের ভিত তৈরি করে ফেলে। দলীপ ট্রফিতে অভিষেক ম্যাচে মাত্র আট রান করে হতাশ করা বৈভব এদিন ব্যাট হাতে অনেক বেশি পরিণত ও নিয়ন্ত্রিত ক্রিকেট উপহার দেন। সেঞ্চুরি করতে পারলে আরও একটি বড় রেকর্ড গড়ার সুযোগ ছিল তাঁর সামনে। দলীপ ট্রফির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে শতরান করার নজির রয়েছে শচীন তেণ্ডুলকরের। ১৯৯০-৯১ মরশুমে ১৭ বছর ২৬২ দিন বয়সে শতরান করেছিলেন শচীন। সেই রেকর্ড ভাঙতে বৈভবের প্রয়োজন ছিল আরও আট রান। কিন্তু হর্ষ দুবের বলে আউট হয়ে সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়। তবে সেঞ্চুরি না পেলেও ৯২ রানের ইনিংসেই একাধিক নজির গড়ে ফেলেছেন বৈভব। তাঁর কেরিয়ারে এটি নব্বইয়ের ঘরে থামা সপ্তম ইনিংস। এর পাশাপাশি রয়েছে ১১টি শতরান।
{{/usCountry}}