Abhishek Sharma on Vaibhav Sooryavanshi: বৈভব সূর্যবংশীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন ভারতীয় তারকা অভিষেক শর্মা। যাঁদের সম্পর্ক অনেকটা দাদা-ভাইয়ের মতো হয়ে গিয়েছে। অভিষেক জানিয়েছেন, তাঁর বয়স যখন ১৫ ছিল, তখন তিনি মোটেও এরকম ছিলেন না। মাত্র ১৫বছরেই ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে এসেছেন বৈভব। ফলে কীভাবে প্র্যাকটিস করতে হবে, কীভাবে এগিয়ে যেতে হবে, তা নিয়ে ১৫ বছরের ভারতীয় ওপেনারের কাছে স্পষ্ট ধারণা আছে। তারপরও দাদা হিসেবে যতটা সাহায্য করা যায় বৈভবকে, ততটাই করেন। সকলের সঙ্গে মিশে যেতে সহায়তা করেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক।
বৈভব এখন জানে বিষয়গুলো, মত অভিষেকের

জিয়োস্টারের 'ফলো দ্য ব্লুজ: জেন-নেক্সট অভিষেক' অনুষ্ঠানে অভিষেক বলেন, 'ও খুবই বুদ্ধিমান ছেলে। ১৫ বছরে আমরা যেমন ব্যবহার করতাম বা অন্যরা যেমনটা করে থাকে, ও সেরকম নয়। কারণ ইতিমধ্যে ও দু'তিন বছর ধরে ক্রিকেট কাঠামোর মধ্যে আছে। তো ও জানে যে কীভাবে প্র্যাকটিস করতে হবে, কোথায় প্র্যাকটিস করতে হবে, কতটা প্র্যাকটিস করতে হবে। আমার মনে হয়, অভিজ্ঞতার সঙ্গে-সঙ্গে ও ধীরে-ধীরে ওই বিষয়গুলি আরও ভালোভাবে শিখে নেবে।'
'উপভোগ করতে হবে, নিজের সেরাটা দিতে হবে', বৈভবকে টিপস অভিষেকের
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওকে কীভাবে আরও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করানো যায়, তা নিয়ে আমরা দলের সবাই মিলে একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করি। কারণ আমরা জানি যে ও কী কী অর্জন করেছে এবং এই স্তরেরই ছেলে। তাই আমারও মনে হয় যে ওকে আমাদের সঙ্গে মিশিয়ে নেওয়া। দাদা হিসেবে আমি ওর পাশে আছি। তোমায় শুধুমাত্র উপভোগ করতে হবে এবং নিজের সেরাটা দিতে হবে। আর যখনই সুযোগ পাবে, তখনই দলকে জেতাতে হবে।’
‘মাইলস্টোনের পিছনে ছোটার দরকার নেই আমার’, তৈরি অভিষেক
{{/usCountry}}‘মাইলস্টোনের পিছনে ছোটার দরকার নেই আমার’, তৈরি অভিষেক
{{/usCountry}}তারইমধ্যে তাঁর নিজের খেলার ধরন নিয়ে ভারতের তারকা ওপেনার বলেন, ‘আমি যখন প্রথম শুরু করেছিলাম, আমায় একটা ধরনেই খেলতে হবে, যাতে আমি দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলতে পারি। ঘরোয়া ক্রিকেটে আমার পঞ্জাব টিমের হয়ে যাত্রাটা শুরু করেছিলাম। ২০২৪ সালে আমরা ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে জিতেছিলাম। তখন থেকেই আমার একটি মানসিকতা তৈরি হয়েছিল যে মাইলস্টোনের পিছনে ছোটার দরকার নেই আমার। কারণ সেটা আপনার হাতে নেই। আমার হাতে যেটা আছে, সেটা হল যে আপনি কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন।’