...
...
Next Story

Ram Temple donation case: রাম মন্দির অনুদান মামলায় কেজরিওয়াল-প্রিয়াঙ্কাদের জেরার দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

Ram Temple donation case: চিঠিতে বলা হয়েছে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল দাবি করেছেন যে 'অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে কোটি কোটি টাকার গয়নার বাক্স চুরি হয়ে গেছে' এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশ, ইডি ও সিবিআই-এর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, যদি একটি নিরপেক্ষ তদন্ত করা হয়, তাহলে সরকারের পতন হতে পারে।

Published on: Jul 5, 2026, 19:28:14 IST
Advertisement

Ram Temple donation case: বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) রামমন্দিরের ভক্তদের ভক্তির দান বা প্রণামীর কোটি কোটি টাকা চুরির ঘটনায় আম আদমি পার্টির (আপ) সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে জনসমক্ষে করা অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য অযোধ্যা পুলিশকে অনুরোধ করেছে।

আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (ANI/PTI)
আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (ANI/PTI)

শনিবার অযোধ্যার ডিএসপি আশুতোষ তিওয়ারিকে চিঠি লিখে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সভাপতি এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট অলোক কুমার বিরোধী নেতাদের তলব করে তাঁদের বয়ান রেকর্ড করতে এবং অভিযোগের সমর্থনে তথ্য ও নথি পেশ করতে বলেছেন। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, 'আপনি অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি, অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে নিবেদিত নৈবেদ্য চুরির অভিযোগে অযোধ্যার রাম জন্মভূমি থানায় নথিভুক্ত এফআইআর নং ০০৯০/২০২৬-এর তদন্ত করছেন। আমরা বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির দেওয়া একাধিক বিবৃতি পেয়েছি, যা এই তদন্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কে টেলিভিশন চ্যানেল, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। উপরোক্ত ও অন্যান্য ব্যক্তিদের করা অভিযোগগুলো থেকে বিশ্বাস করা যায় যে, তাঁরা এই মামলার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত।'

ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল দাবি করেছেন যে 'অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে কোটি কোটি টাকার গয়নার বাক্স চুরি হয়ে গেছে' এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশ, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ও সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)-এর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, যদি একটি নিরপেক্ষ তদন্ত করা হয়, তাহলে সরকারের পতন হতে পারে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সমাজবাদী পার্টির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক রাম গোপাল যাদব অভিযোগ করেছেন যে রাম মন্দিরে প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকার একটি বড় কেলেঙ্কারি ঘটেছে। তিনি বলেছেন যে ভারত ও বিদেশের ভক্তদের দান করা ৫০ কেজি সোনা, রুপো, হীরার নেকলেস এবং কোটি কোটি টাকার নগদ অর্থ নিখোঁজ রয়েছে। যার কোনো চিহ্ন নথিপত্রে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি দাবি করেছেন যে এই চুরিতে কেবল ছোটখাটো কর্মচারী বা চম্পত রায়ই নন, বরং অনেক 'বড় নাম' এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও জড়িত।

অলোক কুমার লিখেছেন,উপরোক্ত ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেছেন এবং এমনকী নির্দিষ্ট অঙ্কের কথাও উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে ২০,০০০ কোটি টাকার বেশি অঙ্কের অভিযোগও রয়েছে। যাই হোক না কেন, উপরে উল্লিখিত এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের করা অভিযোগগুলো থেকে এই বিশ্বাস জন্মায় যে, তাঁরা এই মামলার ঘটনা ও পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত আছেন। একটি সুষ্ঠু, পূর্ণাঙ্গ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, আইনের প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী উপরোক্ত ব্যক্তিদের উপস্থিতি আবশ্যক করা অথবা অন্য কোনওভাবে তাঁদের বক্তব্য রেকর্ড করা সমীচীন হবে, যাতে তাঁরা প্রকাশ করতে পারেন। যদি উপরোক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ তাঁদের অভিযোগের সমর্থনে বিশ্বাসযোগ্য উপকরণ সরবরাহ করেন, তবে তা নিঃসন্দেহে তদন্তকারী সংস্থাকে সত্য উদঘাটনে সহায়তা করবে। যদি দেখা যায় যে কোনও সহায়ক ভিত্তি ছাড়াই জেনেশুনে মিথ্যা বা বেপরোয়া অভিযোগ করা হয়েছে, তবে তদন্তকারী সংস্থা আইনসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। ঘৃণা, বিদ্বেষ ও শত্রুতার অনুভূতি সৃষ্টি ও প্রচার করে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ করে কাউকেই পার পেয়ে যেতে দেওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe