SIR Case in SC Update: এবার ভোট দিতে না পারলেও চিরতরে ভোটাধিকার চলে যাবে না, বোঝাল সুপ্রিম কোর্ট
আগামী মঙ্গলবারের (৭ এপ্রিল) মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিচারাধীন সব নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের চিঠির প্রেক্ষিতে এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্ট।
আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিচারাধীন সব নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের চিঠির প্রেক্ষিতে এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর (ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা) মামলার শুনানিতে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকন্ত বলেন, 'গতকাল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। যে তথ্য ও পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে, তাতে আমরা খুশি এবং আশাবাদী। গতকালের মধ্যে ৪৭ লাখের মতো নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন ১.৭৫ লাখ থেকে দু'লাখ নামে র নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। আমাদের জানানো হয়েছে যে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে সব নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।'

চিরকাল ভোটাধিকার হারাচ্ছেন না, বলল সুপ্রিম কোর্ট
অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের দু'সপ্তাহ আগেই বিচারাধীন সব নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। তবে তারপরও এবারের নির্বাচনে যাঁরা ভোট দিতে পারবেন না, তাঁদের ভোটাধিকার চলে যাচ্ছে না বলে আশ্বস্ত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি। ভারতের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চের অন্যতম বিচারপতি বাগচি জানিয়েছেন, যদি কেউ এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন, সেটার অর্থ এই নয় যে চিরকালের জন্য তিনি ভোটাধিকার হারাচ্ছেন। অর্থাৎ চিরকালের জন্য তাঁর ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে না।
ট্রাইবুনালের জন্য আজ প্রশিক্ষণ হবে প্রাক্তন বিচারপতিদের
তারইমধ্যে যে ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের জন্য যে ট্রাইবুনাল গঠন করা হচ্ছে, সেই বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে যে বুধবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আর ট্রাইবুনালের কাজ শুরু হবে বৃহস্পতিবার থেকেই। সেই রেশ ধরে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে আজকের মধ্যেই ট্রাইবুনালের জন্য প্রত্যেক প্রাক্তন বিচারপতির ট্রেনিং শেষ করতে হবে। অনলাইনে আবেদন এবং সশরীরে গিয়ে আপিলের বিষয়ে জানাতে হবে তাঁদের।
শীর্ষ আদালত কী বলল ট্রাইবুনালকে?
সেইসঙ্গে শীর্ষ আদালত বলেছে যে বিচারবিভাগীয় আধিকারিক বা জুডিশিয়াল অফিসারদের কাছে যে যে নথি দেওয়া হয়নি, সেগুলি যেন নতুন করে নেওয়া হয়। যদি নতুন কোনও নথি জমা নেওয়া হয়, তাহলে যথাযথভাবে তার সত্যতা যাচাই করে নিতে হবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











