Abhijeet Dipke on Pakistan Connection: পাকিস্তানি যোগসূত্রের কী হল? বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মাসকয়েক আগে উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় শ্রমিকদের বিক্ষোভের ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি যে জামিন পেয়ে গিয়েছেন, তা নিয়ে এমনই প্রশ্ন তুললেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তানের যোগসূত্রের কী হল? যাঁরা নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সরকারকে অবশ্যই আইনের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। নয়ডার শ্রমিকদের সঙ্গে তারা যা করেছিল, এখন পড়ুয়াদের সঙ্গে ঠিক সেটাই করার চেষ্টা করছে। তা আর বরদাস্ত করা হবে না।’
গড়ে ৫৩ দিন জেলে থাকতে হয়েছে শ্রমিকদের, দাবি রিপোর্টে

আর তিনি সেই মন্তব্য সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে। ওই রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত এপ্রিলে প্রায় ২০০ জন শ্রমিককে পাকড়াও করেছিল পুলিশ। তাঁরা গড়ে ৫৩ দিন জেলে কাটিয়েছেন। তারপর অবশ্য জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। আর প্রশ্নের মুখে ফেলেছে পুলিশকে।
আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুলিশ
ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, জামিন দেওয়ার সময় আদালত বলেছে যে নির্দিষ্টভাবে কোনও তথ্যপ্রমাণ দেওয়া হয়নি। সুনির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ দাখিল করতে ব্যর্থ হয়েছে পুলিশ। পরিবর্তে কেবল বিক্ষোভে উপস্থিত থাকার বিষয়ের উপরই পুলিশ নির্ভর করেছে বলে উষ্মাপ্রকাশ করেছে আদালত। উল্লেখ্য, যে শ্রমিকদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাঁদের দু'জনের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: CJP warning: প্রতিশ্রুতি এখনও পূরণ হয়নি! ফের দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপি-র
স্কুলের পরিকাঠামো নিয়ে চিঠি দীপকের
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: CJP warning: প্রতিশ্রুতি এখনও পূরণ হয়নি! ফের দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপি-র
স্কুলের পরিকাঠামো নিয়ে চিঠি দীপকের
{{/usCountry}}তারইমধ্যে সোমবার সব রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীদের চিঠি লিখে সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো, শিক্ষকের শূন্যপদ এবং অর্থবরাদ্দ সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক। নিজের চিঠিতে পানীয় জল ও ব্যবহারযোগ্য শ্রেণিকক্ষের মতো মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দীপকে। মন্ত্রীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন যে তাঁরা যেন ‘গণশিক্ষার অবস্থাকে জরুরি অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করেন’।
আরও পড়ুন: Mid-Day Meal by ISKCON: তালিকায় নন্দীগ্রামও! কলকাতার পর এবার জেলাতেও মিড-ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন
ককরোচদের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘শিক্ষালাভের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধার জন্যও যখন শিশুরা এখনও সংগ্রাম করছে, তখন আমরা কীভাবে আমাদের দেশের অগ্রগতির আশা করতে পারি?’ সেইসঙ্গে দেশের রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেন ‘যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আমাদের স্কুলগুলোর অবস্থার উন্নতি’ করা হয়।