...
...
Next Story

US role in deadly strikes: 'হয়তো ক্ষেপণাস্ত্রটি আমাদের...,' ইরানের মিনাব স্কুলে হামলার নিয়ে বিস্ফোরক ট্রাম্প

US role in deadly strikes: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একযোগে হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছিলেন। ওই দিনই হামলা চালানো হয় ইরানের মিনাবের একটি স্কুলে। সেই হামলায় স্কুল পড়ুয়া-সহ ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

Published on: Jun 25, 2026, 23:07:58 IST
Advertisement

US role in deadly strikes: ইরানে সংঘাতের প্রথম দিনে মিনাব শহরের একটি স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রকৃত দায় কার, তা হয়তো কখনওই নিশ্চিতভাবে জানা যাবে না বলে মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার প্রাণঘাতী ওই হামলা নিয়ে রহস্য বহাল রেখেই এমন সংশয়পূর্ণ বক্তব্য দিলেন তিনি।

ইরানের মিনাব স্কুলে হামলার নিয়ে বিস্ফোরক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Getty Images via AFP)
ইরানের মিনাব স্কুলে হামলার নিয়ে বিস্ফোরক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Getty Images via AFP)

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একযোগে হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছিলেন। ওই দিনই হামলা চালানো হয় ইরানের মিনাবের একটি স্কুলে। সেই হামলায় স্কুল পড়ুয়া-সহ ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। স্কুলে হামলা চালানোর তীব্র নিন্দা করেছিল ইরান। মার্চ মাসে রয়টার্স প্রথম প্রতিবেদনে জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একটি প্রাথমিক অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা গেছে, ওই হামলার জন্য সম্ভবত মার্কিন বাহিনীই দায়ী। এরপর পেন্টাগন তদন্তের পরিধি বাড়ালেও এখন পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। বুধবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'আমি জানি না তারা এই বিষয়ের সমাধান করতে পারবে কিনা। কার দোষ ছিল, সেটা তারা কখনওই হয়তো নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না। কারণ তখন চারদিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুটছিল। যা ঘটেছে তা অবশ্যই ভয়াবহ, কিন্তু সে সময় সর্বত্রই ক্ষেপণাস্ত্র উড়ছিল।'

গত মার্চে ইরানের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিডিও প্রকাশ করে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে ঘটা এই হামলায় অন্তত ১৭৫ জন পড়ুয়া ও স্টাফ নিহত হন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি মার্কিন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি স্কুল চত্বরের ভেতরের ভবনে আঘাত হানছে। ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ প্রকাশিত সাত সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুতগতিতে এসে স্কুল চত্বরের দেওয়াল ঘেরা সীমানার ভেতরের ভবনে আছড়ে পড়ছে। এই ঘটনায় ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলকে অভিযুক্ত করে। অন্যদিকে, ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। এর আগে ইরানের বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রসংঘে মানবাধিকার পরিষদের এক জরুরি অধিবেশনে তিনি এই ঘটনাকে 'মানবতাবিরোধী অপরাধ' এবং 'যুদ্ধাপরাধ' হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই আক্রমণ কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা ভুল ছিল না, বরং এটি ছিল মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক চরম বহিঃপ্রকাশ। তিনি অভিযোগ করেন, যখন ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনায় ব্যস্ত ছিল, ঠিক তখনই ২৮ ফেব্রুয়ারি এই বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে কূটনীতিকে দ্বিতীয়বারের মতো পদদলিত করা হয়েছে। তাঁর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe