...
...
Next Story

Riyadh airport attack: 'অগ্রহণযোগ্য!' রিয়াধ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১২, তীব্র নিন্দা ভারতের

Riyadh airport attack: প্রতিবেশী ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দমনে সম্প্রতি সৌদি-র নেতৃত্বাধীন জোট বড়সড় সামরিক অভিযান শুরু করে। আর তারপর থেকেই রিয়াধের বিমানবন্দর আক্রমণের ঘটনা ঘটে।

Published on: Oct 11, 2026, 17:08:25 IST
Advertisement

Riyadh airport attack:সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ৩০০-রও বেশি। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সাধারণ মানুষ ও কোনও দেশের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর উপর বারবার হামলা চালানো ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।’

রিয়াধ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১২, তীব্র নিন্দা ভারতের (Social Media via REUTERS)
রিয়াধ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১২, তীব্র নিন্দা ভারতের (Social Media via REUTERS)

ইরান কেন্দ্রিক সংঘাতের জেরে একের পর এক হামলার ঘটনা, রিয়াধের বিমানবন্দরে হামলাও সেই রেশের অংশ বলেই মত। প্রতিবেশী ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দমনে সম্প্রতি সৌদি-র নেতৃত্বাধীন জোট বড়সড় সামরিক অভিযান শুরু করে। আর তারপর থেকেই রিয়াধের বিমানবন্দর আক্রমণের ঘটনা ঘটে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের জন্য নির্ধারিত ৩ ও ৪ নম্বর টার্মিনাল চত্বরে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানে, সেখানে কোনও সামরিক সুবিধা মজুত ছিল না। এরপরই এক বিবৃতিতে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘গত কয়েকদিনে রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্রমাগত আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানাই আমরা। এর মধ্যে ১০ অক্টোবরের ভয়ঙ্কর হামলাটিতে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। আহত বেশ কয়েক জন এবং সম্পত্তিরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই আক্রমণ দ্রুত থামানো প্রয়োজন।’

সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সে দেশের সরকার ও মানুষের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছে ভারত। দ্রুত ওই অঞ্চলে শান্তি ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরা নিয়ে আশাবাদী নয়াদিল্লি। হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে সৌদি আরবের চার জন নাগরিক ছাড়া বাংলাদেশের দু’জন, প্যালেস্টাইনের এক জন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক জন, মিশরের এক জন, জর্ডনের এক জন, সিরিয়ার এক জন এবং সুদানের এক জন রয়েছেন। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের অভিযোগ, প্রতিবেশী ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরাই এই হামলা চালিয়েছে। চলতি সপ্তাহে রিয়াধের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এটি তৃতীয় হামলা। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের কোনও দেশে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলে দাবি করা হয়েছে। শনিবার হামলার পর রিয়াধগামী সমস্ত বিমান ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্যত্র। সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয় বিমানবন্দরের পরিষেবাও।

সৌদি-হুথি সংঘাত

হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যোগ দেবে কিনা, তা নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যোগ দিতেও পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া হবে।' তবে এর আগে সৌদি আরবের সামরিক সহায়তার অনুরোধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছিল বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একাংশ। রিয়াধ বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক হামলার পর ওয়াশিংটন কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks