...
...
Next Story

Rahul Gandhi: 'নরেন্দ্র মোদী আর একবছরও...,' দেশে জরুরি অবস্থার অশনিসংকেত? বিস্ফোরক রাহুল

Rahul Gandhi: নয়াদিল্লিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর এক অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধী বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং অনেকেই বিরোধী শিবিরের সঙ্গে তথ্য ভাগাভাগি করছেন। তাঁর মতে, এটি একটি বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিরতার ইঙ্গিত।

Published on: Jun 04, 2026 02:41 PM IST
Advertisement

Rahul Gandhi: আর এক বছরও প্রধানমন্ত্রীর কুরসিতে থাকবেন না নরেন্দ্র মোদী। যে সিস্টেম তিনি তৈরি করেছিলেন, সেই সিস্টেম ভেঙে পড়েছে। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, যে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর ভর করে সরকার পরিচালিত হচ্ছিল, তা এখন ভেতর থেকেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। শুধু তাই নয়, নিজের কুরসি বাঁচাতে জরুরি অবস্থার মতো কোনও পন্থাও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সাংসদ।

বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর (AICC)
বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর (AICC)

নয়াদিল্লিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর এক অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধী বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং অনেকেই বিরোধী শিবিরের সঙ্গে তথ্য ভাগাভাগি করছেন। তাঁর মতে, এটি একটি বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিরতার ইঙ্গিত। তাঁর কথায়, 'দেশে সিস্টেমের মধ্যে একটা সংঘবদ্ধ বিক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। যে সিস্টেম একটা সময় নরেন্দ্র মোদী নিয়ন্ত্রণ করতেন-সেই সিস্টেমই এখন আমাকে তাঁর সম্পর্কে তথ্য দিচ্ছে। গোটা সিস্টেমে ভিতর থেকে একটা ঝাঁকুনি আসতে চলেছে। ভিতর থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং তাঁদের সন্তানদের সম্পর্কে একের পর এক তথ্য আমার কাছে আসছে।' এরপরই রাহুল গান্ধীর বিস্ফোরক দাবি, 'আমার হিসাবে নরেন্দ্র মোদী আর একবছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবে না।' কংগ্রেস নেতা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সুনামি ধেয়ে আসছে-যা থামানোর সাধ্য কারও নেই। আর এর নেপথ্যে রয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি কর্তৃক আন্তর্জাতিক অর্থনীতির অস্থিরতা মোকাবিলার লক্ষ্যে ভারতের ‘শক অ্যাবজরবার’ বা রক্ষাকবচগুলো ধ্বংস করে ফেলা।

প্রসঙ্গত দেশে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল ১৯৭৫ এর ২৬ জুন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মূলত রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলায়। তবে অর্থনৈতিক সংকট এর অংশ ছিল। এখন বিরোধীরা বহু বছর ধরে দাবি করে আসছে নরেন্দ্র মোদী জমানায় লিখিত নির্দেশিকা জারি না হলেও জরুরি অবস্থায় বহাল আছে দেশে। কিন্তু এক্ষেত্রে আরও একটি প্রশ্ন থাকে, এভাবে সরকারের অন্দরের তথ্য পাচার কতটা আইনসম্মত? এটা সরকারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ নয় তো? যে ষড়যন্ত্রের কথা গেরুয়া শিবির বহুদিন ধরে বলে আসছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe