Delimitation Bill 2026 Updates: মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের বিষয়টিকে সংসদের আসন সংখ্যা বাড়ানোর সঙ্গে সুকৌশলে জুড়ে দেওয়ার জন্য নরেন্দ্র মোদী সরকারের তীব্র সমালোচনা করলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। তাঁর মতে, মহিলাদের আসন সংরক্ষণের সঙ্গে ডিলিমিটেশন বা নির্বাচনী কেন্দ্র পুনর্বিন্যাসকে জুড়ে দেওয়ার অর্থ, দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত ও জটিল প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলির একটির কাছে ভারতীয় মহিলাদের স্বপ্নকে বন্দি রাখা।

শুক্রবার লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শশী থারুর বলেন, মহিলা সংরক্ষণ আইনকে ডিলিমিটেশনের সঙ্গে যুক্ত করলে বিষয়টি অযথা জটিল হয়ে পড়ে এবং তা দ্রুত কার্যকর করার পথে বাধা সৃষ্টি করে। তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার দাবি জানান এবং তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে ২০১৬ সালের দেশের নোটবন্দির তুলনা টেনে বলেন, সরকারের এই তাড়াহুড়ো সেই সময়ের মতোই ক্ষতিকর হতে পারে। তাঁর কথায়, ‘আসন পুনর্বিন্যাস শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক নোটবন্দি হয়ে দাঁড়াবে। এটা করবেন না।’ এদিন লোকসভায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে ভোটাভুটির সূচি রয়েছে-যার মধ্যে রয়েছে সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ২০২৬, যা মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার পথ তৈরি করবে, পাশাপাশি ডিলিমিটেশন কমিশন গঠনের প্রস্তাব। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই এই বিলগুলি পেশ করে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’-এর বাস্তবায়নের পথ সুগম করতে চাইছে।
শশী থারুরের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শক্তিকে ন্যায়ের উপহার দেওয়ার কথা বললেও, বাস্তবে তা জটিল শর্তের বেড়াজালে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, 'মহিলা সংরক্ষণ একটি নৈতিক প্রয়োজন, সেটিকে কেন জনসংখ্যা ও সীমানা পুনর্নির্ধারণের মতো বিতর্কিত প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে?' থারুর আরও অভিযোগ করেন, ভবিষ্যতে ডিলিমিটেশন হলে জনসংখ্যা বেশি বৃদ্ধি পাওয়া রাজ্যগুলি অন্যায্য সুবিধা পেতে পারে। তাঁর প্রশ্ন, 'যে রাজ্যগুলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল, তারা কী রাজনৈতিকভাবে গুরুত্ব হারাবে? এটাই কী আমরা বার্তা দিতে চাই?' তাঁর মতে, এর ফলে 'ভারতীয় নারীদের আকাঙ্ক্ষাকে একটি অত্যন্ত বিতর্কিত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার আটক করে রাখা হচ্ছে।' তিনি কেন্দ্রকে অনুরোধ করেন, আগে মহিলাদের সংরক্ষণ বিল পাস করা হোক এবং ডিলিমিটেশন নিয়ে আলোচনা পরে করা হোক। তাঁর ভাষায়, 'কংগ্রেস সংসদ ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে মহিলাদের সংরক্ষণ দেওয়ার পক্ষে। যে কোনও সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়াই নানা জটিলতায় পরিপূর্ণ, যা আমাদের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মূল ভিত্তিকেই নড়বড়ে করে দিতে পারে। সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে একটি বিস্তারিত আলোচনা হওয়া উচিত। এটি তাড়াহুড়ো করে করা যাবে না। আজই মহিলা সংরক্ষণ বিলটি পাস করুন, আমরা সমর্থন করব। আর সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি আপাতত স্থগিত রাখা হোক। মহিলাদের তাদের প্রাপ্য সংরক্ষণ দিন... দয়া করে দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করুন।'
{{/usCountry}}শশী থারুরের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শক্তিকে ন্যায়ের উপহার দেওয়ার কথা বললেও, বাস্তবে তা জটিল শর্তের বেড়াজালে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, 'মহিলা সংরক্ষণ একটি নৈতিক প্রয়োজন, সেটিকে কেন জনসংখ্যা ও সীমানা পুনর্নির্ধারণের মতো বিতর্কিত প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে?' থারুর আরও অভিযোগ করেন, ভবিষ্যতে ডিলিমিটেশন হলে জনসংখ্যা বেশি বৃদ্ধি পাওয়া রাজ্যগুলি অন্যায্য সুবিধা পেতে পারে। তাঁর প্রশ্ন, 'যে রাজ্যগুলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল, তারা কী রাজনৈতিকভাবে গুরুত্ব হারাবে? এটাই কী আমরা বার্তা দিতে চাই?' তাঁর মতে, এর ফলে 'ভারতীয় নারীদের আকাঙ্ক্ষাকে একটি অত্যন্ত বিতর্কিত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার আটক করে রাখা হচ্ছে।' তিনি কেন্দ্রকে অনুরোধ করেন, আগে মহিলাদের সংরক্ষণ বিল পাস করা হোক এবং ডিলিমিটেশন নিয়ে আলোচনা পরে করা হোক। তাঁর ভাষায়, 'কংগ্রেস সংসদ ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে মহিলাদের সংরক্ষণ দেওয়ার পক্ষে। যে কোনও সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়াই নানা জটিলতায় পরিপূর্ণ, যা আমাদের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মূল ভিত্তিকেই নড়বড়ে করে দিতে পারে। সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে একটি বিস্তারিত আলোচনা হওয়া উচিত। এটি তাড়াহুড়ো করে করা যাবে না। আজই মহিলা সংরক্ষণ বিলটি পাস করুন, আমরা সমর্থন করব। আর সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি আপাতত স্থগিত রাখা হোক। মহিলাদের তাদের প্রাপ্য সংরক্ষণ দিন... দয়া করে দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করুন।'
{{/usCountry}}এদিকে, লোকসভায় সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ২০২৬ নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে সংসদ ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলাদের সংরক্ষণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন টেরিটোরিজ আইন (সংশোধনী) বিল, ২০২৬ এবং ডিলিমিটেশন বিল নিয়েও আলোচনা চলছে, যার মাধ্যমে লোকসভা কেন্দ্রগুলির পুনর্বিন্যাস ও সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।