Sheikh Hasina: ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই ভারতে (India) রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। তাঁকে দেশে ফেরাতে বারবার উদ্যোগী হয়েছে ঢাকা (Dhaka)। দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। এবারও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল বাংলাদেশের তারেক রহমানের সরকার (Bangladesh Government)।

রবিবার ঢাকায় এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী মহম্মদ আসাদুজ্জামান (Md Asaduzzaman) বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিষয়ে আইনগত ভাবে যা যা করার, আমরা তা করছি। আইনসঙ্গত ভাবেই বিষয়টি মোকাবিলা করা হবে। আমরা যখন কোনও পদক্ষেপ করব, সেখানে আবেগের কোনও বিষয় থাকবে না। আমরা আইন প্রয়োগ করব।’ বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের রায়ে শেখ হাসিনা একজন দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী এবং তার বর্তমান পরিচয় এটিই।’ বিষয়টি সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ভারতের সঙ্গে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় পরিচালনা করছে বলেও জানান তিনি। ভারতের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি উল্লেখ করেন, ‘এটি সম্পূর্ণ ভারত সরকারের বিষয়, তবে বাংলাদেশ চুক্তির নিয়ম মেনেই আবেদন করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগেই জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠিত আইনি কাঠামোর অধীনে বাংলাদেশের এই আবেদনগুলো পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।’
রায় ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। তার পর থেকে ভারতেই রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে দেশে ফেরানোর জন্য আগেও দিল্লির কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানিয়েছিল ঢাকা। সেই আবেদনের প্রাপ্তিস্বীকার করে ভারত জানায়, বিষয়টি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি নয়াদিল্লি। অন্যদিকে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর তাঁর অনুপস্থিতিতেই সে দেশে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলে। সেই মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা। যদিও কবে, কী ভাবে তিনি ফিরবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের মৃত্যুদণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, 'যদি মৃত্যুই আমার ভবিতব্য হয়, তা হলে নিজের দেশের মাটিতে, নিজের লোকজনের মাঝে মরতে চাই। তাই আমি বাংলাদেশে ফিরব। আমার সেই সিদ্ধান্তে কোনও পরিবর্তন হয়নি। এই আবহে ফের একবার শেখ হাসিনাকে প্রত্যাবর্তনের আবেদন জানানো বাংলাদেশ।'
{{/usCountry}}২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। তার পর থেকে ভারতেই রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে দেশে ফেরানোর জন্য আগেও দিল্লির কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানিয়েছিল ঢাকা। সেই আবেদনের প্রাপ্তিস্বীকার করে ভারত জানায়, বিষয়টি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি নয়াদিল্লি। অন্যদিকে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর তাঁর অনুপস্থিতিতেই সে দেশে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলে। সেই মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা। যদিও কবে, কী ভাবে তিনি ফিরবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের মৃত্যুদণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, 'যদি মৃত্যুই আমার ভবিতব্য হয়, তা হলে নিজের দেশের মাটিতে, নিজের লোকজনের মাঝে মরতে চাই। তাই আমি বাংলাদেশে ফিরব। আমার সেই সিদ্ধান্তে কোনও পরিবর্তন হয়নি। এই আবহে ফের একবার শেখ হাসিনাকে প্রত্যাবর্তনের আবেদন জানানো বাংলাদেশ।'
{{/usCountry}}