...
...
Next Story

Banga Bhavan meeting: বঙ্গভবনে শুভেন্দু-NCPI বৈঠক! উন্নয়ন ও এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে সাংসদদের কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

Banga Bhavan meeting: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মঙ্গলবারের বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বঙ্গভবনের বৈঠকে মোট ২২ জন সাংসদ ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়-সহ ১৯ জন এনসিপিআই সাংসদ ছিলেন।

Published on: Aug 4, 2026, 20:24:33 IST
Advertisement

Banga Bhavan meeting: গত জুনে তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলে ভাঙন ধরে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার পর গঠিত নতুন দল ‘এনসিপিআই’-তে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, দেব কিংবা ইউসুফ পাঠানদের যোগদান এবং দলটির আনুষ্ঠানিকভাবে এনডিএ জোটভুক্ত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই প্রথম দলবদ্ধভাবে কোনও বৈঠক হলো। অবশেষে মঙ্গলবার দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই-এর সাংসদদের সঙ্গে সেই বহুল প্রতীক্ষিত ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি সম্পন্ন করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

উন্নয়ন ও এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে সাংসদদের কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী? (সৌজন্যে টুইটার)
উন্নয়ন ও এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে সাংসদদের কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী? (সৌজন্যে টুইটার)

এর আগে নবান্নে গিয়ে পৃথকভাবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এসেছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। পাশাপাশি, সংসদীয় রাজনীতির বাইরে এনসিপিআইকে শক্তিশালী করতে কাকলি দেবী নানা স্তরে দূতের ভূমিকাও পালন করেছিলেন। তবে মঙ্গলবারই প্রথমবার দলবদ্ধভাবে এনসিপিআই সাংসদদের মুখোমুখি হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তাঁদের সংসদীয় এলাকার কী ভাবে উন্নয়ন করা যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। বঙ্গভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এমনই দাবি করেছেন এনসিপিআই সাংসদেরা। এনসিপিআই কী বিজেপির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে, এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও সাংসদদের কেউই তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে নিজ নিজ লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়নমূলক রণকৌশল নিয়ে নিজেদের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাংসদরা।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মঙ্গলবারের বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বঙ্গভবনের বৈঠকে মোট ২২ জন সাংসদ ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়-সহ ১৯ জন এনসিপিআই সাংসদ ছিলেন। এ ছাড়াও বৈঠকে হাজির ছিলেন তৃণমূলত্যাগী রাজ্যসভার তিন বিজেপি সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক। দুপুর ১টায় বৈঠক শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের একটি কর্মসূচির জন্য যানজটের কারণে বঙ্গভবনে পৌঁছোতে কিছুটা দেরি হয় শুভেন্দু অধিকারীর। ২২ জন সাংসদের সঙ্গে প্রায় ১ ঘণ্টার বৈঠক হয় মুখ্যমন্ত্রীর। বৈঠক শেষে তিনি বঙ্গভবন ছেড়ে সংসদের উদ্দেশে রওনা দেন। তবে বৈঠক প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি। যদিও বৈঠক শেষে এনসিপিআই সাংসদ শতাব্দী রায় জানান, এনসিপিআই বা দলীয় রাজনীতি নিয়ে নির্দিষ্ট ভাবে কোনও আলোচনা হয়নি। মূলত এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘বৈঠক খুব ভাল হয়েছে। ফলপ্রসূ হয়েছে। আগামী দিনে আমরা নবান্নে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ভাবে বৈঠক করব।’

বৈঠকটিকে 'অত্যন্ত সফল ও গঠনমূলক' বলে অভিহিত করেছেন সাংসদ জুন মালিয়াও। তিনি জানান, নিজ নিজ এলাকার কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে এবং প্রশাসনিক জট কাটাতে রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার পূর্ণ আশ্বাস মিলেছে। তবে এই পুরো বৈঠকটি প্রসঙ্গে কিছুটা মেপে পদক্ষেপ করতে দেখা যায় রাজ্যসভার প্রবীণ সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়কে। নিজের রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বৈঠকটিকে নিতান্তই একটি ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, বৈঠকে মূলত লোকসভা ও রাজ্যসভা কেন্দ্রগুলির উন্নয়নমূলক কাজের রূপরেখা ও পরিকল্পনা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। দিল্লিতে এনডিএর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন এনসিপিআইয়ের তিন সাংসদআবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পঠান। তাঁরা আগের বৈঠকেও গরহাজির ছিলেন। ফলে তাঁদের অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে যায়। তবে তাঁরা শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে ছিলেন। এনডিএর বৈঠকে না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে আবু তাহের বলেন, ‘আমরা এনডিএতেও নেই, বিজেপিতেও নেই।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe