...
...
Next Story

Ghost Murmur: সত্যি কি বহু ক্রোশ দূর থেকে মানুষের হার্টবিট ট্র্যাক করা যায়? ইরান যুদ্ধে মার্কিন ‘ঘোস্ট মার্মার’ আসলে কী!

‘ঘোস্ট মার্মার’ আসলে কী! মিডিয়া রিপোর্ট ঘিরে জোর জল্পনা শুরু!

Published on: Apr 8, 2026, 18:49:02 IST
Advertisement

ইরানে যুদ্ধের মাঝে কিছুদিন আগেই জানা যায়, ইরান, আমেরিকার এক যুদ্ধবিমান এর-৩৫ কে টার্গেট করে ধ্বংস করে। এরপর থেকে শুরু হয় সেদেশে পাইলটের খোঁজ। এদিকে, পরে মার্কিনিরা দাবি করে, তারা ওই ধ্বংস হওয়া বিমানের পাইলটকে উদ্ধার করে এনেছে ইরানের মাটি থেকে। মার্কিন সেনার যুদ্ধবিদ্যা, যুদ্ধ কৌশল ও যুদ্ধ পরাক্রমের প্রশংসা দিকে দিকে হয়! এরপর আমেরিকার নিউ ইয়র্ক টাইমস, দাবি করেছে, ইরানের দুর্গম পাহাড়ি প্রান্তর থেকে ওই মার্কিন সেনার পাইলটকে উদ্ধার করতে আমেরিকা ‘ঘোস্ট মার্মার' প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে! এই রহস্যময় গোপন ‘ঘোস্ট মার্মার' আসলে কী! এই নিয়ে রিপোর্ট আসার পর থেকেই তুঙ্গে জল্পনা!

সত্যি কি বহু ক্রোশ দূর থেকে মানুষের হার্টবিট ট্র্যাক করা যায়? ‘ঘোস্ট মার্মার' কী
সত্যি কি বহু ক্রোশ দূর থেকে মানুষের হার্টবিট ট্র্যাক করা যায়? ‘ঘোস্ট মার্মার' কী

‘ঘোস্ট মার্মার’ শব্দটির বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘ভূতুড়ে ফিসফিস’! এই নামের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে মার্কিন এই গোপন অস্ত্রের প্রযুক্তিগত কার্যকারিতার দিক। রিপোর্ট বলছে, এই গোপন প্রযুক্তি, একজন মানুষের হৃদস্পন্দনের ‘ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক সিগনেচার (তড়িৎ চুম্বকীয় ইঙ্গিত)’ বহু দূর থেকে খুঁজে বের করতে পারে। আর রিপোর্টের, দাবি, তা করেই ইরানের প্রত্যন্ত দুর্গম এলাকা থেকে মার্কিন সেনা ওই ধ্বংস হওয়া মার্কিন বিমানের পাইলটকে উদ্ধার করে। সূত্রকে উদ্ধৃত করে, ওই রিপোর্ট বলছে, ‘এটা অনেকটা স্টেডিয়ামে কোনও কণ্ঠস্বর শোনার মতো, তবে পার্থক্য হল এই স্টেডিয়ামটি হল হাজার বর্গমাইলের এক মরুভূমি। অনুকূল পরিস্থিতিতে, যদি হৃদস্পন্দন চলতে থাকে, আমরা তাঁকে খুঁজে বের করব।’

‘ঘোস্ট মার্মার’ তৈরি করেছে লকহিড মার্টিনের স্কান্ক ওয়ার্কস, যা ছিল কোম্পানিটির অতি-গোপনীয় গবেষণা বিভাগ, এবং এই অভিযানটিই ছিল এই প্রযুক্তিগত জিনিসটির প্রথম কার্যকারি ব্যবহার। রিপোর্টে সূত্র বলছে, ‘নামটি ইচ্ছাকৃত। ‘মারমার’ (ফিসফিস) হল হৃৎস্পন্দনের ছন্দ বোঝাতে ব্যবহৃত একটি ডাক্তারি পরিভাষা। ‘ঘোস্ট’ (ভূত) বলতে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়াকে বোঝায়, যে কার্যত অদৃশ্য হয়ে গেছে।’ কেন ইরানের ওই মরু এলাকায় এই প্রযুক্তি সাফল্য দিল! রিপোর্ট বলছে, দুর্ঘটনা স্থলের চারপাশের মরুভূমির ভূখণ্ড ‘ঘোস্ট মার্মার’-এর জন্য আদর্শ পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। স্বল্প তড়িৎচুম্বকীয় হস্তক্ষেপ, নগণ্য মানবিক কার্যকলাপ এবং রাতে একটি জীবন্ত দেহ ও শীতল মরুভূমি জমির মধ্যেকার বৈসাদৃশ্য এই বিষয়টিকে একাধিকবার নিশ্চিত করেছে। রিপোর্টের দাবি, ‘ঘোস্ট মার্মারের’ কোয়ান্টাম ম্যাগনেটোমেট্রি এই কারসাজি করেছে! তবে মার্কিন সংবদমাধ্যমের এই প্রযুক্তি সম্পর্কে দাবি নিয়ে বহু জল্পনা, প্রশ্ন উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এর সত্যতা যাচাই নিয়ে বিস্তর কাটাছেঁড়া চলছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe