...
...
Next Story

Samudra Manthan: জ্বালানিতে আত্মনির্ভরতার পথে ভারতের বড় পদক্ষেপ! সমুদ্রে অনুসন্ধানে মন্ত্রিসভার ছাড়পত্র

Samudra Manthan: কেন্দ্রীয় সরকার আশাবাদী, ‘সমুদ্র মন্থন’ প্রকল্পের আওতায় ৬০০ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি তেল মজুত করা হবে।

Published on: Aug 1, 2026, 17:28:32 IST
Advertisement

Samudra Manthan: ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে বিশ্ব যখন জ্বালানি সঙ্কটের সঙ্গে লড়াই করছে, ঠিক সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘সমুদ্র মন্থন’ (জাতীয় সামুদ্রিক অনুসন্ধান প্রকল্প) অনুমোদন করা হল। এটি পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের অধীনে একটি 'জাতীয় অফশোর অনুসন্ধান প্রকল্প।' ২০৩০-৩১ অর্থবর্ষ পর্যন্ত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মোট ৮৪,০৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

জ্বালানিতে আত্মনির্ভরতার পথে বড় পদক্ষেপ!
জ্বালানিতে আত্মনির্ভরতার পথে বড় পদক্ষেপ!

এই প্রকল্পে উপকূলের নিকটবর্তী স্থানে গভীর সমুদ্রের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সমুদ্র উপকূলে বিজ্ঞানসম্মতভাবে তেল ও গ্যাস উত্তোলনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগকে বাস্তবায়িত করা হবে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট-সহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২০২৫ সালে স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ‘সমুদ্র মন্থন’-এর প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। ভারতের উপকূলবর্তী অঞ্চলের কাছে বিস্তীর্ণ সমুদ্রে থাকা জ্বালানিকে কাজে লাগানোই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এর ফলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চল থেকে জ্বালানি উত্তোলনের মাধ্যমে ভারতের শক্তি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা আরও সুরক্ষিত হবে। দেশ বিকশিত ভারতের লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে যাবে।

বর্তমানে ভারতের মোট পরিশোধিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৮৮ থেকে ৮৯ শতাংশ এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় অর্ধেকই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে একদিকে যখন দেশে জ্বালানির চাহিদা ক্রমাগত হু হু করে বাড়ছে, ঠিক তখনই জ্বালানি জোগানের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর ভারতের এই চরম নির্ভরতা কমাতেই বাস্তবায়িত হতে চলেছে এই বিশেষ কর্মসূচি।

ভারতের কেন 'সমুদ্র মন্থন' প্রয়োজন?

এই প্রকল্পের অধীনে প্রথম ধাপে আধুনিক সিসমিক প্রযুক্তির সাহায্যে সমুদ্রের তলদেশের বেসিনগুলির নিখুঁত ও পদ্ধতিগত মানচিত্র তৈরি করা হবে। এরপরের ধাপে সম্ভাবনাময় ‘ডিপওয়াটার’ এবং ‘আল্ট্রা-ডিপওয়াটার’ ব্লকগুলিতে শুরু হবে অনুসন্ধানী খনন বা ড্রিলিং। এর পাশাপাশি সীমান্তসংলগ্ন বা দুর্গম বেসিনগুলিতে বৈজ্ঞানিক খননকাজ চালানো, যৌথ উৎপাদন ও নিষ্কাশন পরিকাঠামো গড়ে তোলা, একটি সমন্বিত 'ইন্টিগ্রেটেড অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড সার্ভিসেস জোন' তৈরি, আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন, ডিজিটাল উপায়ে প্রকল্প পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার মতো উদ্যোগও এই স্কিমে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার আশাবাদী, ‘সমুদ্র মন্থন’ প্রকল্পের আওতায় ৬০০ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি তেল মজুত করা হবে। সমুদ্রের গভীরে অনুসন্ধান কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়বে, অভ্যন্তরীণ তেল ও গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচির অধীনে দেশীয় উৎপাদন শিল্পকে শক্তিশালী করা হবে এবং সমুদ্রের গভীরে প্রযুক্তি ও পরিষেবার জন্য একটি বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe