...
...
Next Story

Salman Ali Agha: ভারতীয় ড্রেসিংরুমের...,' এশিয়া কাপে ‘হ্যান্ডশেক বিতর্ক’ নিয়ে বিস্ফোরক পাক অধিনায়ক

Salman Ali Agha: ভারত এবং পাকিস্তানের হ্যান্ডশেক না করার ঘটনাকে ঘিরে স্পোর্টিং স্পিরিট বনাম দেশের প্রতি কর্তব্য, দু’দিক নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার প্রেক্ষিতে ভারতীয় শিবিরের অবস্থান ছিল স্পষ্ট

Published on: May 2, 2026, 23:27:13 IST
Advertisement

Salman Ali Agha: গত বছরের এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। মাঠের লড়াইয়ের বাইরেও দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়েছিল। বিশেষ করে ম্যাচের আগে ও পরে দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে করমর্দন না হওয়ার ঘটনা বড় বিতর্ক তৈরি করেছিল। পহেলগাঁও হামলার পর থেকে পাকিস্তানিদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন না ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সেই নিয়ে এশিয়া কাপে একের পর এক নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সূর্যকুমার যাদবদের এহেন আচরণে ক্ষিপ্ত হয়ে ম্যাচ বয়কটের ডাক দেয় পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত দুই দল করমর্দন না করলেও খেলতে নামে। এই ঘটনার পর থেকে মহিলাদের বিশ্বকাপ, অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ, টি-২০ বিশ্বকাপ - কোনও টুর্নামেন্টেই পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলায়নি ভারত । এবার সেই ‘হ্যান্ডশেক বিতর্ক’ নিয়ে মুখ খুললেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘা।

‘হ্যান্ডশেক বিতর্ক’ নিয়ে বিস্ফোরক পাক অধিনায়ক (AP)
‘হ্যান্ডশেক বিতর্ক’ নিয়ে বিস্ফোরক পাক অধিনায়ক (AP)

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও মারফত পাক অধিনায়ক জানান, টসের ঠিক আগে তাঁকে জানানো হয়েছিল যে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে কোনও করমর্দন হবে না। আঘার কথায়, ‘আমি টস করতে গেলাম। তার আগে সাংবাদিক সম্মলেন হয়েছিল। করমর্দন হয়েছিল। ট্রফির জন্য শুট হয়েছিল। সেখানেও করমর্দন হয়েছিল। আমি টসে যাওয়ার সময় স্বাভাবিকই ছিলাম। জানতাম পরিস্থিতি একটু অন্যরকম হতে পারে, কিন্তু হ্যান্ডশেক হবে না, সেটা জানতাম না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমাদের মিডিয়া ম্যানেজার নঈম ভাইয়ের সঙ্গে টসে যাচ্ছিলাম। তখন ম্যাচ রেফারি আমাকে আলাদা ডেকে বললেন, এভাবেই হবে, কোনও হ্যান্ডশেক হবে না। আমি বলেছিলাম, সমস্যা নেই, আমিও খুব আগ্রহী নই। তারপরই বুঝলাম কী হতে চলেছে।’

ওই ম্যাচে ভারত সহজেই হারিয়েছিল পাকিস্তানকে। তবে ম্যাচ শেষে করমর্দন হবে বলে আশা করেছিলেন আঘা। তিনি জানান, পাকিস্তান দলের সদস্যদের নিয়ে ভারতীয় ড্রেসিংরুমের দিকে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে গিয়েও দেখেন ড্রেসিং রুমের দরজা বন্ধ। আঘার কথায়, ‘এরপর ম্যাচটা শেষ হল। আমরা ম্যাচটা হেরে গেলাম। এরপর আমরা ওদের প্যাভিলিয়নের দিকে গিয়েছিলাম হ্যান্ডশেক করার জন্য। কিন্তু তখনও তারা করমর্দন করেনি।’ ভারত এবং পাকিস্তানের হ্যান্ডশেক না করার ঘটনাকে ঘিরে স্পোর্টিং স্পিরিট বনাম দেশের প্রতি কর্তব্য, দু’দিক নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার প্রেক্ষিতে ভারতীয় শিবিরের অবস্থান ছিল স্পষ্ট: সশস্ত্র বাহিনীর আত্মত্যাগকে সম্মান জানানো। তবে আঘার মতে, এমন আচরণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এটা ঠিক নয়। বিষয়টি তরুণদের কাছে ভুল বার্তা দিতে পারে, ‘আমরা যখন দেশের প্রতিনিধিত্ব করি, তখন আমাদের দেখে ছোটরা শেখে। যদি আমরা এটা না করি, তাহলে পরদিন ক্লাব ক্রিকেটেও সেটার প্রভাব পড়বে। রোল মডেল হিসেবে এটা ঠিক বার্তা নয়।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe